• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

রামপুরে অনেক কাজ করেছেন জয়াপ্রদা

Joya Pardaআন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের লোকসভার নির্বাচনে বিজনৌর মাটি বিজেপির জন্য কিছুটা পিচ্ছিলই করে দিল একসময়ের রূপালি জগতের হার্টবিট তারকা জয়াপ্রদা। প্রিয় নায়িকাকে পেয়ে কট্টর বিজেপি সমর্থকরাও মত বদলাতে শুরু করেছেন। তাইতো শহরের রমরমা এক ডেয়ারির দোকানে বসে বিজেপির কট্টর সমর্থক হরিশ গুপ্তা বলছিলেন, ‘জয়াপ্রদা যে এখনও এ রকম চোখ ধাঁধানো সুন্দরী, সামনা সামনি না দেখলে বুঝতেই পারতাম না৷ বয়সের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সৌন্দর্যের ছটা কমা দূরে থাক, আরও যেন বেড়েছে৷ ভোটটা বোধহয় তাকেই দিতে হবে।’

মুজফফরনগর দাঙ্গার পরে বিজেপি ছাড়া এতদিন অন্য কিছুই ভাবছিলেন না হরিশ। এবার সেই আদর্শকেও টলিয়ে দিয়েছেন জয়াপ্রদা৷ নিজে থেকেই বললেন, ‘মাঝে মাঝে ভাবছি, ভোটটা শেষ পর্যন্ত পদ্মর বদলে নলকূপেই দিয়ে দেব কি না৷’ অনেকেই বলছেন, জয়াপ্রদাকে ভোট দেবেন৷’ কেন? হরিশের জবাব, ‘দুটো কারণ আছে৷ প্রথমটা অবশ্যই জয়াপ্রদা তারকা প্রার্থী৷ তাঁর সৌন্দর্যের আলাদা আবেদন আছে৷ দ্বিতীয় কারণটা হল, রামপুরে অনেক কাজ করেছেন জয়াপ্রদা৷’

এদিকে রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, মুজাফফরনগরে দাঙ্গা না হলে জয়ার জয় নিশ্চত তা বলা যেত। কারন জয়াপ্রদা এবার অজিত সিংয়ের দলের হয়ে লড়ছেন৷ এই কেন্দ্রে অজিত সিংয়ের প্রভাব যথেষ্ট। তার উপর অজিতের সঙ্গে কংগ্রেসের জোট হয়েছে। আছে ৪১ শতাংশ মুসলিম ভোট৷ শুধু দাঙ্গাই হিসেবটা একটু পাল্টে দিয়েছে। দাঙ্গার কারণে অনেকেই কট্টর হিন্দুত্ববাদী দলগুলোর দিকে ঝুঁকেছে। বিজেপিও শেষ মুহূর্তে প্রার্থী বদল করে এখানে দাঁড় করিয়েছে দাঙ্গার দায়ে অভিযুক্ত বিজনৌরের বিধায়ক ভরতেন্দু সিংকে৷

এদিকে ভোটারদের মধ্যে জয়াপ্রদার ব্যাপারে আলাদা দুর্বলতা লক্ষ্য করা গেছে। মেওয়ানা শহরে ঢোকার আগে চায়ের দোকানে বসে চৌধুরি মহীপাল বলছিলেন, ‘মুজফফরনগর দাঙ্গার পরে তো ভেবেছিলাম বিজেপিকেই ভোট দেব। কিন্তু জয়াপ্রদা দাঁড়াবার পর নতুন করে ভাবতে হচ্ছে৷’

বিজনৌর শহরে একটা ম্যারেজ রিসেপশন হল ভাড়া নিয়ে নির্বাচনী প্রচার অফিস করেছেন জয়াপ্রদা৷ থাকছেনও সেখানে৷ জয়াপ্রদার প্রচার দেখার জন্য রায়বেরিলি থেকে অমর সিং নিয়ে এসেছেন তাঁর দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত কর্মী শশী সিংকে৷ বলিউডি নায়িকা হয়েও জয়াপ্রদা প্রচারের সময় পাগলের মতো খাটতে পারেন৷ সকাল সকাল পুজো আচ্চা সেরে সাড়ে ন-টার মধ্যে তৈরি হয়ে যান৷ কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা সেরে দশটার মধ্যে শুরু হয়ে যায় প্রচার৷ যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। এন টি রাম রাওয়ের কাছে জয়াপ্রদার রাজনীতিতে হাতেখড়ি৷ পরে কাছ থেকে দেখেছেন মুলায়ম সিং যাদবকে৷ ফলে তিনি জানেন কী করে রাজনীতি করতে হয়৷ সব মিলিয়ে বিজেপিও জয়াপ্রদাকে তাদের শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবেই দেখছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ