• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

আমোদ-ফূর্তি করতেই দুই বোনকে ধর্ষণ

dorsonসিলেট: আমোদ-ফূর্তি করতেই দুই বোনকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ধর্ষক সেলিম আহমদ। বুধবার সন্ধ্যায় সিলেটের হাকিম আদালত-৪ এর বিচারক কুদরত-ই-খোদার আদালতে এ স্বীকারোক্তি দেন তিনি।
সেলিম সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার বড়দেশ গ্রামের মৃত সুন্দর আলীর ছেলে। ধর্ষণের ঘটনার মূলহোতা জয়নুলের বাড়ি বিয়ানীবাজার উপজেলার জালালপুর গ্রামে।
সেলিম তার স্বীকারোক্তিতে বলেন, জয়নুল তার বাড়িতে দাওয়াত দেয় আমাদের চার বন্ধুকে। খাওয়া দাওয়া শেষে মধ্যরাত পর্যন্ত চলে তাস খেলা। এরপর বন্ধুদের নিয়ে ‘আমোদ-ফূর্তি’ করতে ঘর থেকে বের হয় জয়নুল। ভোরের দিকে বিয়ানীবাজারের চারখাই ইউনিয়নের হাজরাপাড়ার একটি ঘরে সিঁদ কেটে ঢুকে তারা। এরপর বাবা-মাকে বেঁধে চার বন্ধু মিলে ধর্ষণ করে সদ্য এসএসসি উর্ত্তীণ দুইবোনকে।
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামি ছৈয়দুর রহমান ওরফে সাইফুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ।
এছাড়া মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বাদীকে হুমকিদাতা নজরুল ইসলামকে ৫৪ ধারায় আদালতে প্রেরণ করেছে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ। আদালত শুনানি শেষে উভয়কে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ আদালতে ধর্ষক সেলিমের স্বীকারোক্তি দেওয়ার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
উল্লেখ্য, রোববার ভোররাত ৫টার দিকে মুখোশপরা ৭-৮ জন নরপশু সিদ কেঁটে ঘরে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে। পরে মা-বাবাকে বেঁধে রেখে তাদের দুই মেয়েকে ধর্ষণ করে। ধর্ষকরা চলে যাওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের আর্ত-চিৎকারে লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ নির্যাতিতা দুইবোনকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি বিভাগে ভর্তি করে।
এ ঘটনার পর রোববার রাতে ৫জনের নাম উল্লেখ করে বিয়ানীবাজার থানায় মামলা দায়ের করেন ধর্ষিতাদের বাবা। মামলার পর থেকে আসামিদের আটক করতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ