আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ধর্ষণের পর নিজের মেয়েকে খুন করেছেন এক পিশাচ বাবা। এ ঘটনায় হোটেল ব্যবসায়ী সুশীল মণ্ডলকে আটক করেছে পুলিশ৷
শুক্রবার রাতে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের সারিমাম গ্রামে এই পাশবিক ঘটনাটি ঘটেছে বলে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।
ঘটনার দিন মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফেরেন ব্যবসায়ী সুশীল মণ্ডল ৷ স্ত্রী আত্মীয়র বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ায় তখন বাড়িতে ছিলেন ১৬ বছরের মেয়ে মিনু ও ছেলে সতীশ৷ মদ খাওয়া নিয়ে বাবার সঙ্গে ছেলে ও মেয়ের একচোট ঝগড়া হয়।
ছেলে সতীশ মণ্ডল পুলিশকে জানিয়েছে, বাবার সঙ্গে কথা কাটাকাটি করার পর রাগ করে সে পাশের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়েছিল৷ তার বোন মিনু ও তার বাবা একই ঘরে শুয়েছিলেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে বোনকে বিছানায় অস্বাভাবিক অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে সে৷ পাশেই বসেছিলেন বাবা সুশীল মণ্ডল৷ সন্দেহ হওয়ায় প্রতিবেশীদের ডাকে সতীশ৷ পরে পুলিশকেও খবর দেয়া হয।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে মিনু মণ্ডলকে৷ ধৃত সুশীল মণ্ডলের শরীরের একাধিক চিহ্ন থেকে ধারণা করা হচ্ছে, বর্বর বাবার হাত থেকে বাঁচার জন্য নানাভাবে চেষ্টাও চালিয়েছিল অসহায় মেয়েটি৷ কিন্তু পারেনি৷ ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়ে পরে তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন নিষ্ঠুর বাবা।
ছেলে সতীশ মণ্ডলের অভিযোগের ভিত্তিতে বাবা সুশীল মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ পুলিশি জেরার মুখে নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন তিনি৷ রবিবার তাকে আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।