• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

রংপুরে চাঞ্চল্যকর বিথি হত্যাকাণ্ডে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

Adalotসিসিনিউজ: রংপুরের পাগলাপীরে চাঞ্চল্যকর স্কুল ছাত্রী শাহনাজ পারভীন বিথি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত প্রেমি রাজু মিয়ার (২৬) মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুরের অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক ড. এ বি এম মাহমুদুল হক এই আদেশ দেন। এই রায়ে বিধি পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করে ফাঁসি কার্যকরের দাবি জানিয়েছে।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউর (পিপি ) আবদুল মালেক জানান, প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় পাগলাপীর বাজারের জনতা ব্যাংক সংলগ্ন জুতা ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলামের মেয়ে পাগলাপীর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী বিথিকে ২০১১ সালের জানুয়ারী মাসে রাজু ও তার সহযোগী বাপ্পি অপহরণ করে ঢাকা জিগাতলা বস্তিতে নিয়ে যায়। সেখান থেকে একই বছরের ৭ এপ্রিল পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাড়িনে আনেন। এ ঘটনায় এ ঘটনায় রাজুর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করা হয়। এতে বিথি আদালতে রাজুর বিরুদ্ধে জবানবন্দি দিলে রাজু ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। পরে ২৮ এপ্রিল দুপুরে পাগলাপীর বাজারের জনতা ব্যাংক সংলগ্ন জুতা ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলামের বাড়িতে বিথির রুমে ঢুকে নামাপাড়া  গ্রামের মজনু ড্রাইভারের পুত্র রাজু মিয়া (২৬) প্রবেশ করে বিথির বুকে ও পেটে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত করে। পরে সেই ছুরি দিয়ে রাজু নিজের পেটে নিজেই ঢুকিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় উভয়কে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিথি মারা যায়। এ ঘটনায় বিথি পিতা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। হাসপাতাল থেকেই রাজুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
তদন্ত শেষে পুলিশ রাজুর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ দিন সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত রাজুকে দোষি সাব্যস্ত করে তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
বিথি হত্যাকান্ডের সময় বিথির মা বিউটি বেগম অভিযোগ করেছিলেন, অপহরণ মামলার তদন্ত কর্মকর্তার দাবিকৃত টাকা না দেয়ায় রাজুর পক্ষে চার্জশিট দেয় পুলিশ। এরপরেই রাজু বেপরোয়া হয়ে উঠে তার মেয়েকে হত্যা করেছিল। অপহরণ হওয়ার পর পুলিশ তার মেয়েকে উদ্ধারও করতে পারেনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ