• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

সেমিফাইনালে হেরে ব্রাজিলে ক্ষোভের আগুন

84057_1আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফুটবল-পাগল ব্রাজিলে ক্ষোভের আগুন জ্বলছে। ঘটেছে লুটের ঘটনাও। গত রাতে বিশ্বকাপের স্বপ্ন ধূলিসাত্ হয়ে যাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হয়েছে বাণিজ্যিক নগর সাও পাওলোতে।

পুলিশের বরাতে এএফপি জানিয়েছে, গত রাতে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের লজ্জাজনক হারের পরই সাও পাওলোর বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ ব্রাজিলীয়রা। একটি ইলেকট্রনিক পণ্যের দোকানে চালানো হয় ব্যাপক লুটপাট।

কতটি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে, তার সঠিক পরিসংখ্যান অবশ্য পুলিশ দেয়নি। তবে ফোলহা ডি সাও পাওলো পত্রিকার খবর, একটা ডিপোতে রাখা ২০টি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। শহরের আরেকটি জায়গায় আরও তিনটি বাসে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধরা।

সাও পাওলো নগর-প্রশাসনের একজন মুখপাত্র অবশ্য এএফপির কাছে দাবি করেন, ব্রাজিলের হারের কারণেই এসব ঘটনা ঘটেছে কি না, নিশ্চিত নন তাঁরা। তিনি বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।

আগুন, লুট, নৈরাজ্য ব্রাজিলে নতুন কোনো ঘটনা নয়। এটা বরং দেশটির নিত্যসঙ্গীই। সাও পাওলো তো এমন সব ঘটনার জন্য কুখ্যাত। তবে গত রাতের ঘটনাগুলোর তাত্পর্য আলদা। যে দেশের মানুষের কাছে ফুটবল বেঁচে থাকার প্রেরণা, তাঁরা জার্মানদের কাছে এমন অসহায় আত্মসমর্পণ মেনে নেবেন কীভাবে! ক্ষোভের আগুনে তো পুড়ে যাচ্ছেন তাঁরা নিজেরাও।

সাও পাওলোর ২৮ বছর বয়সী ব্রাজিল সমর্থক ফার্নান্দো হাজান বলেন, ‘এটা ১৯৫০ বিশ্বকাপের চেয়েও খারাপ। খেলায় দুভাবে হারা যায়—একটি কঠিন লড়াই চালিয়ে হারা, আরেকটি স্রেফ বিধ্বস্ত হওয়া। ইতিহাসে সবচেয়ে বাজে খেলা এটা।’

খেলা শেষেও বহু সমর্থক বেলো হরিজন্তের এস্তাদিও মিনেইরোর বাইরে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিলেন। সৈকত, পানশালা, রেস্তোরাসহ সব জায়াগায় কেবলই হাহাকার। রিও ডি জেনিরোর এক পানশালায় বসে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী মাইকেল গোমেজ বললেন, ‘এই বিশ্বকাপের স্মৃতি সারাজীবন কলঙ্কময় হয়ে থাকবে। ’ অনেকের ধারণা, ব্রাজিল দলের এ বিপর্যের প্রভাব পড়তে পারে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলমা রুসেফের ওপর। অবশ্য সাও পাওলোর রাজনীতি বিজ্ঞানের অধ্যাপক ক্লদিও কুতো এ শঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন। বলছেন, এ ক্ষোভ ‘সাময়িক’। তিনি জানালেন, ‘এক মাস পরে এ প্রভাব থাকবে কি না সন্দেহ!’

এএফপি, রয়টার্স


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ