সিসি ডেস্ক: নিজের শরীর উলঙ্গ করে অন্যকে দেখানো একটি দৃষ্টিকটূ কাজ। এটি সামাজিক রীতি ও ধর্মীয় অনুশাসনের বাইরের একটি কাজ। কিন্তু অনেকেই মনে করেন এটি একটি স্বাভাবিক কাজ। অনেকে এটিকে আনন্দের বিষয় হিসেবে নেন। আবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটি আন্দোলনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ফিলিপাইনের স্টেট ইউনিভার্সিটিতে প্রতিবছর নগ্ন র্যালি করতে দেখা যায়। এটির নাম দেয়া হয়েছে ‘অবলেশন রান’। এ নামটি নেয়া হয়েছে ইউনিভার্সিটির নগ্ন মূর্তি ‘দ্য অবলেশন’ থেকে। দেশটিতে জাতীয় কোনও বিষয়ের প্রতিবাদ জানাতেও এ মাধ্যম ব্যবহৃত হয়।
অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় লিওপোল্ড জাদুঘরে প্রতিবছর ‘ন্যুড মেন ফ্রম ১৮০০ টু টুডে’ নামে একটি চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এতে নগ্ন পুরুষদের কেন্দ্র করে তিনশ’রও বেশি চিত্রকর্ম, ছবি ও মূর্তি উপস্থাপন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে এক লাখেরও বেশি দর্শক উপস্থিত হয়।
জার্মানির আলটেনবার্গে ২০০৯ সাল থেকে ‘নেকড স্লিডিং’ নামে একটি প্রতিযোগিতা হয়। এতে ৩০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। এ খেলায় প্রথম পুরস্কার হিসেবে এক হাজার জিপিবি তথা এক লাখ ৩২ হাজার ৯২৪ টাকা দেয়া হয়।
প্রতিবছর ডেনমার্কে রোসকিল্ড ফেস্টিভ্যাল নামে একটি অনুষ্ঠান হয়। এটিকে ইউরোপের সেরা মিউজিক ফেস্টিভ্যাল হিসেবে ধরা হয়। এ ফেস্টিভ্যালে ‘নেকড রান’ নামে একটি প্রতিযোগিতা হয়। এতে প্রতিযোগীরা নগ্ন হয়ে প্রায় সাত কিলোমিটার দৌড়ান। বিজয়ীদের পরের বছর এ ফেস্টিভ্যাল দেখার ফ্রি টিকেট দেয়া হয়।
জাপান নগ্ন উৎসব পালনের একটি কেন্দ্রস্থল। দেশটির ওকাইয়ামার সাইদাই-জি মন্দিরে প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসের তৃতীয় রবিবার সাইদাই-জি ইয়ো হাদাকা মাটসুরি নামে একটি নগ্ন অনুষ্ঠান হয়। এতে প্রায় নয় হাজার পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। তারা সবাই সাদা লেঙটি পরে দৌঁড়ান।
এছাড়া পৃথিবীর আরো অনেক দেশে প্রতিবছর নানা নগ্ন উৎসব পালন করা হয়। এটি তাদের কাছে অন্যতম একটি মজার বিষয়। এসব উৎসব দেখতে হাজার হাজার দর্শক ভিড় জমায়।