টঙ্গী : নিছক দলীয় কোন্দলেই আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার খুন হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় সভাপতি সৈয়দ ইফতেখার আহসান হাসান।
শনিবার টঙ্গীতে জাতীয় ছাত্র সমাজের এক কর্মী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলে এ দাবি করেন তিনি।
টঙ্গী থানা আওয়ামী লীগ অফিসের অদূরে স্থানীয় বিসিকে থানা জাতীয় পার্টির কার্যালয় প্রাঙ্গনে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ ১০ বছরের মধ্যে টঙ্গীতে জাতীয় ছাত্র সমাজের এটিই প্রথম সমাবেশ, যেখানে আহসান উল্লাহ মাস্টার হহত্যাকাণ্ডের প্রকাশ্য সমালোচনা ও নুরুল ইসলাম দিপুকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে বক্তব্য রাখা হলো।
সৈয়দ ইফতেখার আহসান বলেন, এ মামলার প্রধান আসামি নূরুল ইসলাম দিপু ও তার দুই ভাই সম্পূর্ণ নির্দোষ’। তাদেরকে হত্যা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি না দিলে ঈদের পর কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
টঙ্গী থানা ছাত্র সমাজের আহবায়ক মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, গাজীপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি কাজী সাজেদ হাসান শুভ, সাধারণ সম্পাদক আসাদ সিদ্দিকী, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুল আলম, ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মিজানুর রহমান মিরু, টঙ্গী থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. বজরুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম আলাউদ্দিন, টঙ্গী থানা ছাত্র সমাজের সদস্য সচিব মো. আবু সাঈদ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার নিজ বাসভবনের সামনে স্বেচ্ছাসেবকলীগের এক কর্মী সমাবেশে সন্ত্রাসীদের গুলিতে খুন হন। এঘটনায় তৎকালীন জাতীয় ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম দিপুকে প্রধান আসামি করে টঙ্গী থানায় মামলা হয়। মামলায় ঢাকা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল নুরুল ইসলাম দিপুসহ ২২ জনের ফাঁসি ও ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন।