• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪০ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

সিজোফ্রেনিয়ার চিকিৎসায় আশার আলো

85652_1স্বাস্থ্য ডেস্ক: নানা ওষুধপত্র আর শল্যচিকিৎসকদের ছুরির নিচে হূদরোগ এখন আর দুরারোগ্য নয়। এমনকি আস্ত হৃৎপিণ্ড বদলে ফেলার দিনও হয়তো আর খুব দূরে নেই। কিন্তু মনের রোগের কার্যকারণ আর তা থেকে পরিত্রাণের পথ যে এখনো অনেকটাই কুয়াশায় ঢাকা। তবে, এবার বোধ হয় আঁধার পথের শেষ মাথায় আলোর দেখা মিলতে চলল। মানুষের শরীরে ১০০টির মতো জিনের দেখা মিলেছে, যেগুলো ‘সিজোফ্রেনিয়া’র মতো মানসিক রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে।
সিজোফ্রেনিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত এই জিনগুলোর মধ্যে ৮৩টি একেবারেই নতুন। আগের কোনো গবেষণায়ই এগুলোর অস্তিত্ব সম্পর্কে জানা যায়নি। এ জিনগুলোর বেশির ভাগই মস্তিষ্কে বার্তা প্রেরণের কাজ করে। দুনিয়াজোড়া প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ মানুষ সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত বলে জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।
যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে ৩৫টি দেশের এক আন্তর্জাতিক গবেষক দল যৌথভাবে এই গবেষণা চালায়। এ গবেষণার ফলাফল মানসিক রোগের চিকিত্সার ক্ষেত্রে সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে। বিজ্ঞানীরা আশা প্রকাশ করেছেন, এর ফলে উন্নত হতে পারে সিজোফ্রেনিয়া রোগের চিকিত্সাও। সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত নানা দেশের প্রায় ৩৭ হাজার মানুষের অবস্থা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান গবেষকেরা। এরপর সিজোফ্রেনিয়া নেই, এমন ১ লাখ ১০ হাজার মানুষের সঙ্গে তুলনা করে দেখা হয় রোগাক্রান্তদের নানা তথ্য-উপাত্ত।

গবেষক দলের প্রধান অধ্যাপক মাইকেল ও’ডনোভান এমনটিই মনে করছেন। তিনি বলেছেন, ‘অনেক দিন ধরে চালানো নানা গবেষণায় দুর্বল ফলাফলের কারণে সিজোফ্রেনিয়ার মতো রোগের চিকিত্সা ব্যাহত হচ্ছিল। তবে এতদিন অজানা এই জিনগুলোর মাধ্যমে উন্নত চিকিত্সা সম্ভব হতে পারে।’

গবেষক দলের আরেক সদস্য ডেভিড কার্টিস বলছেন, ‘এই গবেষণা, চিকিত্সাবিজ্ঞানের অন্যান্য রোগের মতো মানসিক রোগের চিকিত্সায়ও সাহায্য করবে।’ আশাবাদী এই গবেষক আরও বলেন, ‘একটা সময় ছিল যখন আমরা মানসিক সমস্যাকে অন্যান্য রোগের মতো অসুখ মনে করতাম না। এই গবেষণার ফলে আস্থার সঙ্গে বলা যেতে পারে মানসিক সমস্যা আসলে জিনের ভুল পথে যাওয়া কিংবা মস্তিষ্কে ভুল বার্তা প্রেরণের কারণেই হয়।’ কে জানে, পথ হারানো জিনগুলোকে কোনো উপায়ে ঠিক পথে আনতে পারলেই হয়তো সেরে যাবে মানসিক রোগ। উৎসঃ   প্রথম আলো


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ