সিসি ডেস্ক: ২১০০ সাল নাগাদ পৃথিবীর জনসংখ্যা হবে ১১শ কোটি। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের খাবারের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন না খাদ্য বিশেষজ্ঞরা।
কারণ যতোই উচ্চফলনশীল জাতের শস্য ও প্রাণী প্রজাতি উদ্ভাবন করা হোক যে হারে আবাদি কমে যাচ্ছে তাতে এতো মানুষের আবাসন নিশ্চিত করে আবার পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ করা অসম্ভবই হবে।
এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন খাদ্যশৃঙ্খলে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এতে অনেক শস্য ও প্রাণী প্রজাতিই বিপণ্ণ হয়ে পড়ছে। ফলে ভবিষ্যতে বিশেষ করে আমিষের চাহিদা মেটানো কোনোভাবেই সম্ভব হবে না।
তবে এর একটা উজ্জ্বল সম্ভাবনা খুঁজে পেয়েছেন খাদ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এর জন্য প্রথমেই আমাদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। আর আমিষের চাহিদা সহজে মেটাতে চাইলে সবচেয়ে ভালো বিকল্প হতে পারে পোকামাকড়।
সম্প্রতি এমন সম্ভাবনার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট। সেখানে তারা ব্যাখ্যা করেছে, কেন আপনি আমিষের চাহিদা মেটাতে খাবার তালিকায় পোকামাকড় যুক্ত করবেন।
তাদের যুক্তিটা হলো- যেহেতু এখনো খুব কম সংখ্যক মানুষ পোকামাকড় খেতে পছন্দ করেন সেহেতু এটা প্রাথমিকভাবে মানবগোষ্ঠীর একটা অংশের চাহিদা মেটাতে পারবে। আর এসব পোকামাকড় কিন্তু পুষ্টিগুণে ভরপুর, স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। আর মাংসের চেয়ে এসব অনেক ভালো মানের আমিষের উৎস।
চীন, থাইল্যান্ড ও আফ্রিকার কিছু দেশের মানুষ পোকামাকড় খায়। এর মধ্যে সেন্ট্রাল আফ্রিকায় উইপোকার মতো এক ধরনের পোকা দিয়ে স্থানীয়ভাবে উপাদেয় খাবার তৈরি করা হয়। এমন রেসিপি তৈরি করতে পারলে হয়তো এক সময় সব দেশের মানুষই পোকামাকড় খেতে আগ্রহী হবে।