সিসি নিউজ: স্বামীর সাথে বেড়াতে গিয়ে গন ধর্ষনের শিকার হয়েছেন এক নববধু। সেই ধর্ষনের দৃশ্য মোবাইলের মাধ্যমে ভিডিও করে বাজারে ছেড়ে দেয় ধর্ষনকারীরা। ঘটনায় জড়িত থাকার আট যুবককে আসামী করে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করেছে ধর্ষিতা। এ ঘটনাটি ঘটেছে জেলার ডোমার উপজেলার নিজ ভোগডাবুড়ি গ্রামে।
মামলার বিবরনে জানা যায়, ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের নিজ ভোগডাবুড়ী গ্রামের সদ্য বিবাহিতা নববধু (সাত দিনের বিবাহিত) গত ১২ই অক্টোবর বিকালের দিকে তার স্বামীর সাথে একই ইউনিয়নের গোসাইগঞ্জ বন বিভাগে তারা বেড়াতে যায়। বনবিভাগের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি এক পর্যায়ে স্থানীয় কয়েকজন বখাটে যুবক তাদেরকে আটক করে। পরে মেয়েটির স্বামীকে গাছের সাথে বেঁধে রাখে। এরপর মেয়েটিকে বিবস্ত্র করে স্বামীর সামনে গনধর্ষন করে বখাটের দল। ধর্ষনের পর মেয়েটিকে তার স্বামীর কাছে এনে বিবস্ত্র অবস্থায় নানা অঙ্গভঙ্গীতে মেয়েটির ছবি মোবাইল ফোনে ধারণ করে এবং ঘটনা প্রকাশ করলে হত্যার হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়। স্বামী তার ও স্ত্রী মান-সম্মানের ভয়ে তারা এতদিন ঘটনাটি চেপে যায়। কিন্তু ধর্ষণকারীরা ওই ভিডিও চিত্রটি গত ২২ অক্টোবর থেকে স্থানীয় বিভিন্ন হাট-বাজারে ছেড়ে দেয়। যা চিলাহাটি ও গোসাইগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন কম্পিউটারের দোকান হয়ে স্থানীয় যুবকদের মোবাইলে পৌছে যায়। এ নিয়ে চিলাহাটি ও আশেপাশের এলাকায় নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হলে ধর্ষিতার ও তার স্বামী মুখ খুলে। নিরুপায় হয়ে তারা এ ঘটনার ১১ দিন পর ধর্ষিতা নিজে বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ডোমার থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলা নং-১০, তারিখ-২৩/১০/২০১৪ইং। মামলার আসামীরা হলো, জেলার ডোমার উপজেলার গোসাইগঞ্জের মিজাউ (২২), রানা (২৭), মতিউল (২৬), মনোয়ার (২৮), রুবেল (২৫), মিজানুর (২৩), রইসুল (২৬) এবং পার্শ্ববর্তী পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের চিলাপাড়া গ্রামের মশিউর রহমান (৩৮)। ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।