• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন |

‘মাইগ্রেইন’ কি এবং কেন হয় জেনে নিন

images2স্বাস্থ্য ডেস্ক : মাইগ্রেইন এমন একটি ব্যাধি যা একবার হলে, এর থেকে মুক্তি পাওয়া বেশ কঠিন। মাইগ্রেইন হলে তীব্র মাথা ব্যথা হয় যা সাধারণত মাথার একদিকে অথবা পিছনের দিকে অনুভূত হয়, তবে অনেক সময় চোখের চারপাশেও ব্যাথা থাকতে পারে। এর সাথে প্রায় সময়ই বমি বমি ভাব থাকে, কোনো কোনোসময় চোখেও সবকিছু ঝাপসা দেখা যায়।

মাইগ্রেইন চক্রাকারে হতে থাকে অর্থাৎ একবার আসে আবার ভালো হয়ে যায় তারপর আবার আসে এবং এভাবে চলতেই থাকে।

বয়োঃসন্ধিতে প্রথম মাইগ্রেইন হতে দেখা যায় এবং তা বার্ধক্য হবার আগ পর্যন্ত চলতে পারে। মানসিক চাপ, তীব্র দুর্গন্ধ, হরমোন পরিবর্তন, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন বা ধূমপানের নেশা থাকলে মাইগ্রেইন হতে পারে।

অনেক সময় জন্মনিয়ন্ত্রনের বড়ি বা বিশেষ কোনো খাবার খেলে মাইগ্রেইন শুরু হয়, এগুলো মাইগ্রেইন এর প্রেসিপিটেটিং ফ্যাক্টর (Precipitating factor) নামে পরিচিত।

মাইগ্রেইন থেকে মুক্তি পেতে হলে শারীরিক-মানসিক চাপ ও হতাশা মুক্ত হতে হবে। এজন্য রুটিন করে দৈনন্দিন কাজ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নির্দিষ্ট সময়ে সব কাজ করার চেষ্টা করুন।

অফিসের কাজ বাসায় নিয়ে আসবেন না। এতে স্নায়বিক চাপ বেড়ে যায়। সবারই নিউরোলজিস্ট (Neurologist) এর তত্ত্বাবধানে মাইগ্রেইন এর চিকিৎসা করানো উচিত।

মাইগ্রেইন হলে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খেলে মাথা ব্যথা অনেকটা কমতে পারে। মাইগ্রেইন রোগীর উত্তেজনা নিয়ন্ত্রন করতে হবে সেই সাথে প্রেসিপিটেটিং ফ্যাক্টর পরিহার করতে হবে।

ব্যথা খুব বেশী হলে নিউরোলজিস্টগণ প্রপানলল, এমিট্রিপ্টাইলিন, মেথিসারজাইড ইত্যাদি ওষুধ ব্যবহার করে থাকেন। ডাক্তারের পরামর্শে মাইগ্রেন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ