সিসি নিউজ: আওয়ামী লীগ গণজাগরণ মঞ্চকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের সভাপতি শামা ওবায়েদ রিংকু। সোমবার রাতে মাছ রাঙা টেলিভিশনে ‘সাম্প্রতিক’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে আলোচনার বিষয় ছিল ‘সমসাময়িক রাজনীতি’। আলোচক হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও নব্বই এর ছাত্র গণআন্দোলনের সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতা শফি আহমেদ ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স।
শামা ওবায়েদ রিংকু বলেন, আমরাও গণজাগরণ মঞ্চে যেতে চেয়েছি। কিন্তু এই মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকারি শুধু ছিল না সেখানে আওয়ামী লীগের কর্মীরাও ছিল। মূলত তারাই এটাকে নিয়ন্ত্রণ করেছেন। সেজন্য ওই মঞ্চে অংশগ্রহণ করিনি।
তিনি বলেন, তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত রায় দেয়। সেক্ষেত্রে যুদ্ধাপরাধীর বিচার স্বচ্ছ হোক তা সবাই চায়। কিন্তু একটি রায় হওয়ার পরে গণজাগরণ মঞ্চ থেকে মিছিল মিটিং করা হয় তখনি সেই রায় আবারও রিভিউ করা হয়। তখনি অস্বচ্ছতার প্রশ্ন উঠে।
বিএনপির প্রশংসা করে তিনি বলেন, বিএনপি মুক্তিযুদ্ধ, জাতীয়তাবাদী, স্বার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা বিশ্বাসী। বিএনপি দেশের স্বার্থ বিরোধী কোনো কাজ করে না।
জামায়াতের প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ রিংকু বলেন, জামায়াত একটি রাজনৈতিক দল। এই দলের বেশির ভাগ শীর্ষস্থানীয় নেতারা জেলে বন্দি অথবা মৃত্যুদ- প্রাপ্ত আসামি। বিভিন্ন সময় তারা তাদের কর্মসূচি দেন। বিএনপি বিএনপির কর্মসূচি দেয়। সেখানে জোটগত ভাবে কোনো কর্মসূচি দেয়া হচ্ছে না।