চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: চিলমারীতে জে.এস.সি ও প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার পর বার্ষিক পরীক্ষাতেও প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। শিক্ষক সমিতির সভাপতি চিলমারী থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর-ই-এলাহী বাদশা প্রশ্নপত্র ফাঁসে কোচিং সেন্টারের উপর দোষ চাপিয়ে দায় এড়াতে চাইলেও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও সচেতন মহল।
উপজেলার সকল উচ্চ বিদ্যালয়ে ১ ডিসেম্বর ৪টি সেটের মাধ্যমে অভিন্ন প্রশ্নপত্র বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়। থানাহাট এ ইউ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চিলমারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চিলমারী উচ্চ বিদ্যালয়, বালাবাড়িহাট দ্বিমূখী উচ্চ বিদ্যালয়, বালাবাড়িহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, শরীফের হাট উচ্চ বিদ্যালয়, ফকিরের হাট বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্কুলে গণিত বিষয়ের পরীক্ষা শনিবার অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষকরা মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে শুক্রবার পরীক্ষা শুরুর আগেরদিনেই ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ৯ম শ্রেণীর প্রশ্নপত্র বিতরণ করেন। এতে করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পড়া-লেখা ছেড়ে উপজেলার বিভিন্ন ফটোস্ট্যাটের দোকানে প্রশ্নপত্র ফটোকপি করতে দেখা গেছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত নিয়ে গোটা উপজেলায় অভিভাবক ও সচেতন মহল উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আরিফুল্লাহ জানান, মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস একটা লজ্বাজনক ঘটনা। আমরা তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তবিবুর রহমান জানান, বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখবো।