সিসি নিউজ: সৈয়দপুরের কাদেরী তৈল ব্যবসায়ী, জামায়াত নেতা সামসুদ্দিন খাঁন আর নেই। শনিবার বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি ৪ ছেলে, ৭ মেয়ে, রাজনীতিক সহপাঠীসহ অসংখ্যা গুন্যগ্রাহী রেখে যান। পরদিন রবিবার যোহর নামাজের পর গোলাহাট বড় মসজিদ ঈদগা ময়দানে তার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা পূর্ব সংক্ষিপ্ত সভায় বক্তব্য বলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নীলফামারী জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ আজিজুল ইসলাম, সেক্রেটারি অধ্যাপক খায়রুল আনাম, সৈয়দপুর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মাহমুদুল হাসান, সৈয়দপুর জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার, সাবেক এমপি পৌর মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার, ইসলামী সমাজ কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মাওলানা গোলাম মোস্তফা, আল-ফারুক একাডেমীর সভাপতি ডাঃ সৈয়দ মাসুদ, মরহুমের বড় জামাই ও সাবেক পৌর কমিশনার এহসানুল হক প্রমুখ। তার জানাযায় উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব মোঃ তসলিম, নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্টিজের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ ইমতেয়াজ, ব্যবসায়ী মমতাজ, সাবেক কাউন্সিলর শাহিন আকতার, সাবেক কাউন্সিলর মোস্তফা কামাল, সাবেক কাউন্সিলর মোঃ আনিছ, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিক, ধর্মীয় নেতা, শিক্ষক ও ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের শতশত মানুষ। জানাযায় ইমামতি করেন মরহুমের বড় ছেলে ও সৈয়দপুর শহর জামায়াতের সেক্রেটারি মোঃ শরফুদ্দিন খাঁন।
বর্ষীয়ান এ নেতার মৃত্যুতে পৌর মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার, নীলফামারী জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ আজিজুল ইসলামসহ নেতৃস্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ছাত্রশিবির ও সামাজিক সংগঠনের নেতা গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
মরহুম সামসুদ্দিন খাঁন ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সপ্তম ও নীলফামারী প্রথম রুকন। তিনি দীর্ঘদিন সৈয়দপুর উপজেলা ও পৌর জামায়াতের আমীরের দায়িত্ব পালন করেন। ব্যাক্তিগত জীবনে সফল ব্যবসায়ীর সুখ্যাতিসহ শিক্ষা ও সামাজিক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ইসলামী সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট ও শহরের আল-ফারুক একাডেমীর সভাপতি ছিলেন। এছাড়া তিনি আনজুমানে নাওজোয়াননে ইসলামের সভাপতিসহ একাধিক সামাজিক, শিক্ষামুলক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত ছিলেন।