রুকুনুজ্জামান বাবুল, পার্বতীপুর (দিনাজপুর): দিনাজপুরের পার্বতীপুর মধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্পের উত্তেলিত অবিক্রিত পাথর নিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হয়েছে। রাখার জায়গা না থাকলেও দিন দিন বাড়চ্ছে অবিক্রিত পাথরের মজুদ। ডিলাররা পাথরের মজুদ বৃদ্ধি কারণ হিসাবে খনির মার্কেটিং মহা-ব্যাবস্থাপকের দায়ী করেন। চলমান হরতাল অবোরোধ কে উপেক্ষা করে পাথর নিতে এসে আরেক ধরনের বিড়ম্বনার শিকার হন ডিলাররা।
এব্যাপারে মধ্যপাড়া পাথর খনির মার্কেটিং মহা-ব্যাবস্থাপক ফজলুর রহমান বলেন, বর্তমানে অবিক্রিত পাথরের পরিমান ৫ লাখ মে.টন। পাথরের পরিমাণ দিন দিন আরোও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে মধ্যপাড়া খনিতে জার্মানিয়া ট্রাষ্ট কনসোডিয়াম জেটিসি পাথর উত্তোলনের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে ৩ শিপটে পাথর উত্তোলন শুরু করে। এতে প্রতিদিন ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার মে,টন পাথর উত্তোলন হচ্ছে। চলন্তগতিতে পাথর পরিমাপের যন্ত্র ডায়ানামিক যন্ত্রটি ২০১৩ সালে বর্জপাতের কারণে বিকল হয়ে যায়।
ডিলাররা নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক জানান, খনি থেকে ৫প্রকার পাথর উত্তোলিত ০৫/২০মিমি, ২০/৪০মিমি, ৪০/৬০মিমি, ৬০/৮০মিমি ও বোল্ডার। বাজারে বেশির ভাগ সময় ০৫/২০ সাইজের পাথর বেশি চাহিদা থাকে, কিন্তু বোল্ডারের চাহিদা সব সময় থাকে না। ফলে নানাবিধ অসুবিধায় ক্রেতারা এখান থেকে পাথর অনীহা প্রকাশ করছে। অবিক্রিত পাথর মজুদ বৃদ্ধি হওয়ার কারণ হিসাবে খনির মার্কেটিং মহা-ব্যাবস্থাপকের দায়ী করেন। অথচ ডিলাররা চলমান হরতাল অবোরোধ কে উপেক্ষা করে পাথর নিতে আসেন।