কুমিল্লা: স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পর্যায়ের নেতা যদি স্মৃতিসৌধে না যান তাহলে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্তের প্রতি অসম্মান দেখানো হয় বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।
বৃহস্পতিবার কুমিল্লা সেনানিবাসে বঙ্গবন্ধু মিউজিয়ামের উদ্বোধন ও রুপসাগর এলাকায় বর্ণাঢ্য ডিসপ্লে শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে দুপুরে হেলিকপ্টারে করে কুমিল্লা সেনানিবাসে আসেন মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর। পরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত এমআর গ্রাউন্ডে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে বঙ্গবন্ধু মিউজিয়াম-বিএমএ রেলিকের উদ্বোধন করেন।
কুমিল্লা সেনানিবাসে ৬টি স্কুলের ১৫শ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে খ্রিষ্টপূর্ব ১০০০ থেকে বর্তমান পর্যন্ত ঐতিহাসিক ঘটনাবলি তুলে ধরা হয় বিভিন্ন ডিসপ্লের মাধ্যমে। ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের তত্ত্বাবধানে সেনানিবাসের রূপসাগর এলাকায় বিকেলে এসব ডিসপ্লে ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি এই গ্রাউন্ডেই বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ১ম ব্যাচের প্যারেড ও সালাম গ্রহণ করেছিলেন। সেই ঐতিহাসিক স্থানটিতে বঙ্গবন্ধু মিউজিয়াম-বিএমএ রেলিক স্থাপনের উদ্যেগ নেয়ায় কুমিল্লা সেনানিবাসের জিওসিকে ধন্যবাদ জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী।
কুমিল্লা সেনা নিবাসের জিওসি ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. জাহিদুর রহমানের উদ্দ্যেগে ১০১ পদাতিক ব্রিগেড কমান্ডারের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত বঙ্গবন্ধু মিউজিয়াম-বিএমএ রেলিকের উদ্বোধনের পর মন্ত্রী সেনানিবাসের রূপসাগর এলাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন এবং অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
বর্নাঢ্য এই র্যালিতে ঐতিহাসিক ঘটনাবলী চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়।