• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

কামারুজ্জামানের ফাঁসি যেভাবে কার্যকর হবে

kamruzzaman1-1428300335ঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে রায় কার্যকর করতে প্রস্তুত কারা কর্তৃপক্ষ। তবে তার আগে বেশ কিছু নিয়মকানুন পালন করা হবে।

জানা যায়, সুপ্রীমকোর্টের রিভিউ আদেশের শর্টকপি অথবা পূর্ণাঙ্গ কপির লিখিত ট্রাইব্যুনাল হয়ে কারাগারে প্রেরণ করা হবে। এরপর সেটি কামারুজ্জামানকে পড়ে শোনানো হবে। এমনকি রায়ের কপি দেখানোও হতে পারে। কারা কর্তৃপক্ষ তাকে জিজ্ঞাসা করবেন, আপনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কিনা? জবাবে তিনি ‘হ্যাঁ’ বললে, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন। আর যদি ‘না’ বলেন তবে সেই মুহূর্ত থেকে ফাঁসি কার্যকরের জন্য ব্যবস্থা গ্রহন করবে কারা কর্তৃপক্ষ।

কামারুজ্জামান প্রাণভিক্ষা চাইলে তিনি আইনজীবীদের সাক্ষাতের অনুমতি চাইতে পারেন। সে সুযোগ দেওয়া হবে তাকে। আইন অনুয়ায়ী কামারুজ্জামানের আইনজীবীরা সাক্ষাৎ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন। আর না চাইলে সেই অনুযায়ী পরিবারের সদস্যদের শেষবারের মতো সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হবে। পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ করে চলে যাওয়ার পর কামারুজ্জামানের ক্ষণ গণনা শুরু হবে।

নিয়ম অনুযায়ী কামারুজ্জামানকে ফাঁসির মঞ্চে তোলার আগে গোসল করানো হবে। এরপর একজন মাওলানার মাধ্যমে তওবা পড়ানো হবে। দুই রাকাত নফল নামাজ শেষবারের মতো পড়ে নিতে পারবেন তিনি। নামাজ শেষে তার কোনো শেষ ইচ্ছে আছে কি না তা জেনে নেওয়া হবে। এরপর তাকে ফাঁসির মঞ্চের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। ফাঁসির মঞ্চে নেওয়ার পর আসামির মাথায় পরানো হবে একটি কালো টুপি। এই টুপিটিকে বলা হয় ‘যমটুপি।’

ফাঁসির মঞ্চে তোলার পর কামারুজ্জামানের দুই হাত পেছন দিকে বাঁধা হবে। এ সময় ফাঁসির মঞ্চের সামনে উপস্থিত থাকবেন কারা কর্মকর্তা, সিভিল সার্জন এবং একজন ম্যাজিস্ট্রেট।  ম্যাজিস্ট্রেট একটি লাল রুমাল হাত থেকে ফেলবেন। সঙ্গে সঙ্গে জল্লাদগন ফাঁসি কার্যকর করবেন।

এর আগেই ফাঁসির মঞ্চে প্রস্তুত থাকবেন শাহজাহান ভূঁইয়ার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি জল্লাদ টিম। মঞ্চে তোলার পর কামারুজ্জামানকে পরানো হবে ফাঁসির দড়ি। এরপর সেই দড়িতে কিছুক্ষণ ঝুলিয়ে রাখা হবে। পরে সেখান থেকে নামিয়ে ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে মৃত্যু নিশ্চিত হলে অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগার থেকে বের করা হবে। সবশেষ তাকে পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী জামালপুরের গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ