চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের চিলমারীতে এক মোবাইল ব্যাবসায়ীর পা ভেঙ্গে দিল সন্ত্রাসীরা। এলাকায় উত্তেজনা।
জানা গেছে, জোড়গাছ বাজার এলাকার মোবাইল ব্যাবসায়ী হারুন অর রশিদ মঙ্গলবার দোকানের মালামাল নিয়ে অটতে থানাহাট থেকে নিজ দোকান জোড়গাছ নতুন বাজার যাওয়ায় পথে শরীফের হাট ভাটা এলাকায় পৌছাঁলে। পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা একদল সন্ত্রাসী এলাকার উকিল আমিনের বাড়িতে তুলে নিয়ে মারডাং করে এবং ব্যাবসায়ীর ডান পা ভেঙ্গে দেন। পরে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে চিলমারী হাসপাতালে নিয়ে আসে। আহত ব্যবসায়ীর পরিবারের লোকজন জানান দোকানে সিকেরেট খাওয়া নিষেধ করায় শরীফের হাট এলাকার কিরন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এরিপোট লেখা পর্যন্ত চিলমারী থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।
চিলমারীতে কালবৈশাখীর তান্ডব
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে কালবৈশাখীর তান্ডবে জমির ধান, গাছপালা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ঘরবাড়ীর ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত প্রায় ১২ টার সময় দক্ষিন দিক থেকে আসা কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে উড়ে গেছে অষ্টমীর চর ইউনিয়নের ভাটপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিলমারী বিএম কলেজের চালের টিন। এছাড়াও ধুমড়ে মুচড়ে গেছে চরাঞ্চলসহ বেশ কিছু এলাকার বসত ঘর, বিদ্যুতিক খুটি এবং হাজার হাজার গাছ পালা। শুয়ে পড়েছে উপজেলার ইরি-বোরো ধান ক্ষেত। সরেজমিনে চিলমারী উপজেলার পুর্ব মাচাবান্দা, পাত্রখাতা, মুদাফৎথানা, খরখরিয়া, ডাওয়াইটারী, বজরাতবকপুর, পেদিখাওয়ার বিল, রমনাসহ উপজেলার বেশ কিছু এলাকার ঘরবাড়ি, ইরি-বোরোর ক্ষেত হেলে পড়েছে। কৃষি বিভাগ দাবী করছে রোদ থাকলে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো ধান নেক ব্লাষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়। পাশাপাশি অসংখ্য ধানে চিটা দেখা দিলেও হয়তো সামান্য পরিমাণ ধান ঘরে তুলতে পারবে। কিন্তু সে আশাও আর থাকছে না। ঝড়ে ধান হেলে পড়ায় কৃষকদের মাথায় হাত পড়েছে। চলতি মৌসুমে বাজারে নতুন ধান মনপ্রতি ৪থেকে ৫‘শ টাকা দরে বিক্রি হলেও ক্রেতা নেই বললেই চলে। সবমিলিয়ে কৃষকরা এখন চোখে শরষে ফুল দেখছে। এদিকে বেশ কিছু এলাকার বিদ্যুতিক খুটি ধুমরে মুচরে যাওয়ায় পুরো উপজেলা বিদ্যুত বিহীন অবস্থায় রয়েছে।