• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

চার কন্যার কেলেঙ্কারিতে বেকায়দায় নরেন্দ্র মোদি

136420_1আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতে বিজেপি সরকারের প্রথম বর্ষপূর্তির দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গর্ব করেই বলেছিলেন, এই সরকার কি দুর্নীতিবাজ কংগ্রেস সরকারের চেয়ে ভালো নয়?

অথচ তার এক মাস না পেরুতেই দুর্নীতির অভিযোগে এখন বেসামাল মোদির সরকার। দুর্নীতি নিয়ে মোদি এখন আর কোনো কথা বলছেন না।

আইপিএলের সাবেক প্রধান ললিত মোদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের ট্রাভেল ডকুমেন্ট পেতে সাহায্য করার অভিযোগ নিয়ে ওঠা বিতর্ক সামাল দেবার আগেই আরো তিন কন্যাকে নিয়ে বিব্রত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

সুষমা স্বরাজ ছাড়া বাকি তিন কন্যে হলেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে, ভারতের মানব সম্পদ উন্নয়ন (শিক্ষা) মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি ও মহারাষ্ট্রের মহিলা ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী তথা প্রয়াত বিজেপি নেতা গোপীনাথ মুন্ডের মেয়ে পঙ্কজা মুন্ডে।

বিজেপি নেতৃত্বও এই চার কন্যাকে নিয়ে এতটাই বিব্রত যে তার কার্যত মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছেন।

চার কন্যার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিরোধীরা মোদিকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে।

বিরোধীরা চার কন্যাকে নিয়ে সোচ্চার হয়ে ওঠায় মোদি ও বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের মুখ বন্ধ রাখা ছাড়া আপাতত কোনো রাস্তা নেই। এই নিয়ে বিজেপির অভ্যন্তরেই তৈরি হয়েছে বিরোধ। কিন্তু বিরোধীরা বুঝিয়ে দিয়েছেন, বসুন্ধরা-সুষমা-স্মৃতি নিয়ে তারা কোনোভাবেই চাপ কমাবেন না।

কংগ্রেস আসন্ন বর্ষা অধিবেশনে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্যও তৈরি হচ্ছে। তার ইঙ্গিত দিয়ে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেছেন, তিন জনের ইস্তফার দাবি নিয়ে কংগ্রেস কোনো রকম আপস করবে না। এক এক করে সবাইকে ইস্তফা দিতে হবে, একেবারে টিভি সিরিয়ালের মতো।

তার কথায়, বসুন্ধরার ইস্তফার দাবি রইল পয়লা নম্বরে। দু’নম্বরে থাকলেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। আর তিন নম্বরে স্মৃতি ইরানি। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রে পঙ্কজা মুণ্ডেকে নিয়ে তোলপাড় গোটা রাজ্যে।

ললিত মোদি পর্ব শুরু হয় সুষমা স্বরাজকে দিয়ে। অভিযোগ, মোদি যাতে তার অসুস্থ স্ত্রীর সঙ্গে পর্তুগালে চিকিৎসার জন্য যেতে পারেন, সে জন্য তাকে ট্রাভেল ডকুমেন্ট দিতে বৃটিশ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন সুষমা।

তার পরপরই জানা যায়, চার বছর আগে একইভাবে ললিত মোদির যাবতীয় অভিবাসন সংক্রান্ত ছাড়পত্রকেই সমর্থন জানিয়েছিলেন বসুন্ধরা রাজে। বসুন্ধরার সেই সই করা ‘গোপন হলফনামাটি কংগ্রেস প্রকাশ করে দেয়ায় চুপসে গিয়েছেন বসুন্ধরা রাজে। অথচ তিনি বলেছিলেন, এই হলফনামার কথা যেন ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানতে না পারেন।

মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে স্মৃতি ইরানিকে ঘিরে বিতর্ক লেগেই আছে। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় তিনি একবার বলেছেন, বিএ পাস করেছেন। আবার আরেরক জায়গায় বলেছেন, বিকম প্রথম পার্ট সমাপ্ত করেছেন।

নির্বাচন কমিশনে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে ভুয়া তথ্য দেয়ার অভিযোগে স্মৃতির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে আদালত।

অন্যদিকে পঙ্কজার বিরুদ্ধে অভিযোগ, কোনো দরপত্র ছাড়াই মহারাষ্ট্রে একই দিনে ২৪টি সংস্থাকে শিশুদের স্কুলের জন্য ২০৬ কোটি টাকার জিনিসপত্র কেনার দায়িত্ব দিয়েছিলেন তিনি।

উৎসঃ   আরটিএনএন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ