• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন |

কিশোরগঞ্জ থানার ওসির বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্যের তদন্ত

Policসিসি নিউজ: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বিরুদ্ধে টাকা ছাড়া মামলার রজু না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বাদী ইদ্রিস আলী পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ সুপারের নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটি সোমবার ২৯ জুন দিনভর সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করেছে।

অভিযোগে জানা যায়, চলতি বছরের ১৭ই এপ্রিল জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছিল গদা গ্রামের মৃত আজগার আলীর ছেলে ইদ্রিস আলীর সাথে একই গ্রামের গোলজার আলীর ছেলে আব্দুল হালিমের । ওই ঘটনায় ইদ্রিস আলী গুরুত্বর আহত হয়ে কিশোরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে দশ দিন চিকিৎসা গ্রহন করেন। চিকিৎসায় সুস্থ্য হয়ে ইদ্রিস আলী বাদী হয়ে গত ২৮ এপ্রিল আব্দুল হালিমসহ সাত জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়েরের জন্য একটি লিখিত এজাহার প্রদান করেন।

থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান মামলাটি রুজু করার আশ্বাস প্রদান করে সময় অতিবাহিত করতে থাকেন। বাদী মামলা রজুতে বিলম্ব কেন হচ্ছে ওসির কাছে জানতে চাইলে ওসি বাদীর কাছে মামলা রুজুর জন্য ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। বাদীর অভিযোগ ওসিকে ঘুষের টাকা না দেয়ায় তার মামলাটি দায়ের করেননি ওসি।

এই অভিযোগ তুলে বাদী ইদ্রিস আলী গত ২৭ মে নীলফামারী পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেন। সেই অভিযোগটিও পুলিশ সুপার কার্যালয়ে দীর্ঘ দিন পড়ে ছিল। সম্প্রতি নীলফামারীতে নতুন পুলিশ সুপার জাকির হোসেন খান যোগদান করলে বাদী ইদ্রিস আলী তার সাথে দেখা করে বিষয়টি তুলে ধরেন। ফলে নবাগত পুলিশ সুপার জাকির হোসেন খান তাৎক্ষনিকভাবে নীলফামারী ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের ইন্সপেক্টর সহিদার রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্ত কমিটি ২৯ জুন সোমবার দিনভর ঘটনাস্থল কিশোরগঞ্জ থানায় উপস্থিত হয়ে তদন্ত করে নীলফামারী ফিরে যায়।

মঙ্গলবার তদন্ত কর্মকর্তা সহিদার রহমানের সাথে মুঠোফোনে কথা বলা হলে তিনি সাংবাদিকদের তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন তদন্ত রির্পোট পুলিশ সুপারের কাছে জমা দেয়া হবে। তবে তিনি তদন্তে কি পেয়েছেন তা জানাতে অপারগত প্রকাশ করেন।

এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান সাংবাদিকদের বলেন বাদী ইদ্রিস আলী তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছেন তা সঠিক ছিলনা।

অপর দিকে বাদী ইদ্রিস আলী সাংবাদিকদের বলেন তদন্ত কমিটি ঘটনার সত্যতা পেয়ে সাক্ষ্য প্রমান নিয়ে চলে গেছেন। এখন রির্পোট দিলেই সব জানা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ