আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের গুজরাট রাজ্যে প্যাটেল সম্প্রদায়ের ডাকা ধর্মঘটে ৭ ব্যক্তি নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে পাঁচজনই নিহত হয়েছে পুলিশের গুলিতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার আধা সামরিক বাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্যকে গুজরাটে পাঠিয়েছে। রাজধানী আহমদাবাদের বিভিন্ন এলাকায় কার্ফ্যু বলবৎ করা হয়েছে।
ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, বিক্ষোভের নেতা হার্দিক প্যাটেলকে গ্রেফতারের পর মঙ্গলবার রাতেই পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। পুলিশের বেপরোয়া লাঠিচার্জে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে বিক্ষোভকারীরা। বুধবার রাজ্যজুড়ে বন্দ ডাকা হয়। কিন্তু গুজরাট সরকার সরকারি চাকরি ও শিক্ষাক্ষেত্রে প্যাটেলদের জন্য কোটা সংরক্ষণের দাবি মানতে অস্বীকার করে। খবরে বলা হয়, হার্দিক প্যাটেলের গ্রেফতারের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ জনতা সরকারি বাসে এবং দুটি ব্যাংকের এটিএম বুথে আগুন দেয়। তারা একজন মন্ত্রী ও দুজন এমএলএর অফিসেও আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে অবশ্য হার্দিক প্যাটেলকে ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু দাবি থেকে পিছিয়ে আসতে নারাজ ২১ বছর বয়সী হার্দিক প্যাটেল। তিনি বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি বর্ষণ ও নির্যাতনকারী পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করতে রাজ্য সরকারকে ৩৬ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছেন।
এদিকে সেনা সদস্যরা আহমদাবাদের বিভিন্ন অংশে কার্ফ্যু জারি করেছে। রাজ্য সরকার আহমেদাবাদে ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জনগণকে শান্ত থাকার আহবান জানিয়েছেন।