সিসি ডেস্ক: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যায় জাসদের জড়িত থাকা নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্যের বিরোধীতা করে নিজের দলের পক্ষে সাফাঁই গাইছেন জাসদ নেতারা। এছাড়া জাসদকে নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ঐক্যে ভাঙনের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ জাসদ নেতাদের।
এদিকে জাসদের নিম্ন পর্যায় থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের বক্তব্যে থাকছে বঙ্গবন্ধুর গুণকীর্তন মূলক কথাবার্তা। আজ রাজধানীর একটি মিলনায়তনে জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিরা মূর্খ ছিল। কারণ তিনি বাঙালীর আত্না ও ইতিহাস। তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পেরেছে, বাঙালীর আত্নাকে নয়। তাই তিনি আবার স্বমহিমায় ফিরে এসেছেন।
আজ শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে একটি মানববন্ধনে নগর জাসদের সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ঐক্যে ভাঙনের চেষ্টার অংশ হিসেবে জাসদকে নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। জাসদকে নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিভ্রান্তিকর বক্তব্য স্বাধীনতাবিরোধীদের সুযোগ করে দিচ্ছে বলেও তার অভিযোগ।
এ সময় জসীম উদ্দিন আরো বলেন, যখন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পেছনে ১৪ দলের সকল নেতাকর্মীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, এ সময়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন বক্তব্য দেশপ্রেমিক জনসাধারণ কাম্য করে না।’
একই অনুষ্ঠানে নগর জাসদের সভাপতি আবু বক্কর বলেন, ‘জাতীয় চার নেতা ছাড়া আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই বঙ্গবন্ধু হত্যার পর গঠিত খন্দকার মোশতাক সরকারে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু জাসদের কোনো নেতাকর্মী সেই সরকারে যোগ দেননি।
তিনি আরো বলেন, বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত জাসদ রাজনৈতিক দল হিসেবে কী কর্মকাণ্ড করেছে, কী ভূমিকা রেখেছে, জাসদ নেতাদের কী ভূমিকা ছিল তা রেকর্ড আছে। সুতরাং জাসদকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর কোন তথ্য মানুষ বিশ্বাস করবে না। ’