• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

৫৭ ধারার বৈধতা নিয়ে শিশির মনিরের রিট খারিজ

হাইকোটঢাকা: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭  ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনিরের দায়ের করা রিটটি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

গত ৩ দিন শুনানি শেষে আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন হাইকোর্ট।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন, ব্যারিস্টার ইমরান এ সিদ্দিকী ও শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এদিকে ৫৭ ধারার বিলুপ্তি চেয়ে ১১ শিক্ষক-লেখকের দায়ের করা অপর রিটের ওপর বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের বেঞ্চ গতকাল রুল জারি করেছেন। রুলে ৫৭ ধারা কেন বিলুপ্তি করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ৫৭ ও ৮৬ ধারা বাতিল চেয়ে ইউনুছ আলী আকন্দের দায়ের করা অপর একটি রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ।

এর আগে গত ২৬ আগস্ট এ আইনের মামলায় গ্রেফতার হয়ে জামিনে থাকা জাকির হোসেনের পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি দায়ের করেন আইনজীবী শিশির মনির।

রিটে আইন সচিব ও তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ৫৭ ধারাটি সংবিধানের ২৭,৩১,৩২ ও ৩৯ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় রিটটি দায়ের করা হয়।

তিনি জানান, ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইনের চোখে সকলে সমান এবং ৩৯ অনুচ্ছেদে মত প্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে।৫৭ ধারাটি এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই রিটটি করা হয়।

সম্প্রতি তথ্য প্রযুক্তি আইনে সাংবাদিক প্রবীর শিকদারকে গ্রেফতারের পর ৫৭ ধারাটি আলোচনায় আসে।

তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ (১) ধারায় বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানি প্রদান করা হয়, তাহা ইহলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক চৌদ্দ বৎসর এবং অন্যূন সাত বৎসর কারাদণ্ডে এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ