• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :

খুন করার কথা স্বীকার করেছে ঘাতক স্বামী

খুনসিসি নিউজ: যৌতুকের জন্য নববধু গোলাপী বেগমকে (১৮) হত্যা করার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে পাষন্ড স্বামী আহসান হাবিব ওরফে তুফান (২৪)। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘটনাস্থল থেকে খুনের জন্য ব্যবহৃত রক্তমাখা ছোরাটি নিজেই পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের তেলিপাড়া নামকস্থানের তিস্তা ক্যানেল সড়কে। পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার এবং ওই নববধুর স্বামীকে আটক করেছে।

অপরদিকে বৃহস্পতিবার সকালে ওই নববধুর পিতা গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি উপজেলার বৈরী হারিণমারী গ্রামের ভ্যান চালক চাঁন মিয়া বাদী হয়ে সৈয়দপুর থানায় আহসান হাবিব তুফানকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ লাশের ময়না তদন্তের জন্য জেলার মর্গে পাঠিয়েছে।

সূত্র মতে, হত্যাকারী নববধুর স্বামী আহসান হাবিব তুফান নীলফামারী সদরের চাপড়া সরনজামী ইউনিয়নের চাপড়া নয়াপাড়া গ্রামের নুর ইসলামের পুত্র। ঢাকার একটি তৈরী পোষাক কারখানায় চাকুরীর সময় গোলাপী ও তুফানের প্রেমের সর্ম্পকে বিয়ে হয় গত ৫ মাস আগে। শ্বশুড়ের কাছে যৌতুকের এক লাখ টাকা চেয়ে না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনার দিন তুফান তার স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুড়বাড়ি গাইবান্ধার পলাশবাড়ি থেকে নীলফামারীর নিজবাড়িতে ফিরছিল। পথে রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে নীলফামারীর সৈয়দপুরের তেলিপাড়া নামকস্থানের তিস্তা ক্যানেল সড়কে সে স্ত্রীর বুকে ছোরা বসিয়ে হত্যা করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নজরুল ইসলাম সিসি নিউজকে জানান, খুনের ঘটনাটি পূর্ব পরিকল্পিত। যে ছোরা দিয়ে গোলাপীকে খুন করে ঘাতক তুফান, তা এক সপ্তাহ পূর্বে ওই স্থানে মাটির নীচে লুকিয়ে রেখে স্ত্রীকে আনতে শ্বশুড় বাড়িতে যায়। খুনের পরও ঘাতক রক্তমাখা ছোরাটি আবার মাটির নীচে লুকিয়ে রাখে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সৈয়দপুর থানার ওসি ইসমাইল হোসেন সিসি নিউজকে জানান, প্রথমত ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা করেছিল ঘাতক তুফান। পরে স্ত্রীকে সে নিজেই হত্যা করার কথা স্বীকার করে পুলিশের কাছে জবানবন্দী দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ