পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও জেলার পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন পীরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব এর ২৫ সদস্য বিশিষ্ঠ দ্বি-বার্ষিক কমিটি পূনর্গঠন করা হয়েছে। প্রেসক্লাবের সাধারন সভায় ১২ সেপ্টেম্বর এই পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়। কমিটির বিভিন্ন পদে যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তারা হলেন, সভাপতি মো.গোলাম রব্বানী (দৈ. বাংলাদেশ সময়/নওরোজ), সহ.সভাপতি মু. হুমায়ুন কবীর (দৈ. স্বর্ণসকাল), সাধারন সম্পাদক মো. আজিজুল হক (দৈ. দিনকাল/দৈ. উত্তরা), যুগ্ন সম্পাদক মো.বদরুল হাসান সুমন (দৈ. আজকের জনবানী), অর্থ-দপ্তর সম্পাদক জিয়াউল্লাহ রিমু (দি ডেইলী মর্নিং গ্লোরী/এফএনএস/দৈ. প্রথম খবর/কাঞ্চন/ঠাকুরগাঁওয়ের খবর), নির্বাহী সদস্য আরিফ খান মেনন (দৈ.রুপালী), সাইদুর রহমান মানিক (দৈ. জনতা/মায়াবাজার/অন্তরকন্ঠ), সাধারন সদস্য আজম রেহমান(ভোরের কাগজ/এনএনবি/আজকের দেশবার্তা), আরশাদ হোসেন বাবু (দৈ. দেশকাল), সাজেদুর রহমান লিটন(দৈ. রংপুরচিত্র), ইয়াসমিন অনন্যা (দৈ. আমাদের অর্থনীতি/খবর), নাহিদ পারভিন রিপা (দৈ. মুক্তভাষা), শেখ শমসের আলী (সাপ্তা. খোজখবর), মো. নুরন নবী রানা (বাংলাপোষ্ট), মো.ইমদাদুর রহমান (দৈ. জনবানী), মো. হামিদুল ইসলাম (দৈ. উষার বানী/সাপ্তা.সচিত্র ঘটনা), মো. শাহিন আল আজাদ (দিডেইলি ইভিনিং নিউজ), মো. আশফাউদে্দৗেলা রুমেল (দৈ.এশিয়াবানী/আজকের দিনাজপুর), মো. জামাল উদ্দিন (দৈ. রুপালী বাংলাদেশ), মো. সুলতান আলমগীর সরকার (ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-দৈ. দেশকাল), সবুজ ইসলাম (সাপ্তা. সচিত্রপত্রিকা), মো.জাকিরুল ইসলাম (ফ্রাইডে রিভউ), আবুল হাসনাত (দৈ. আলোর দিগন্ত/দৈ. এইবাংলা), মো. জয়নাল আবেদীন (দৈ. দাবানল) মো. আব্দুস সালাম (দৈ. মুক্তখবর)। উল্লেখ্য ইতিপূর্বে গঠিত ৭ সদস্য বিশিষ্ঠ কার্যকরী কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্তক্রমে সাধারন সদস্যদের নিয়ে এই কমিটি পূনর্গঠিত হয়েছে।
থুমনিয়া শালবনে চলছে জুয়া
ঠাকুরগাও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার থুমনিয়া শালবনের পূর্ব-উত্তর কোণে মফিজ উদ্দীনের পুকুর সংলগ্ন খোলা মাঠে দীর্ঘদিন ধরে চলছে জুয়া খেলার আসর। এই আসর প্রতিদিন দুপুর ০২টার পর শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে। এতে ২ শতাধিক লোকের সমাগম সহ ১০-১৫ লক্ষ টাকা জুয়া খেলা চলে। দীর্ঘদিন ধরে জুয়া খেলার আসরটি চলার কারণে অতিতের অনেক দর্শক আজ খেলোয়ারে পরিনত হয়েছে। পেশাদার জুয়াড়িরা ছাড়াও সাধারন মানুষের অংশ গ্রহন এতে দিন দিন বাড়ছে। এলাকায় চুরি, ছিনতাই সহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ দিন দিন বাড়ছে। আশ পাশের গ্রামের সাধারন মানুষ বিভিন্ন সময় এই আসরের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেও শেষ পর্যন্ত খেলা বন্ধ করতে সফল হয়নি। দুই একজন সাহস করে পুলিশ প্রশাসনকে জানালেও প্রশাসন এই বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এলাকাবাসীর আভিযোগ এই জুয়ার আসরের হোতা ১০-১২ জন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভবানীপুর গ্রামের রেজাউল করিম চখা, আজাহারুল ইসলাম, কালোপীরের মাস্তান, বকুল তলার শাহাজাহান, বিলপারের হামিদুল ইসলাম, গুয়াগাঁও গ্রামের আলমগীর ও কোঠাপাড়ার মালেক। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে এই জুয়ার আসর বন্ধ করা সম্ভব বলে গ্রামবাসী মনে করে।
এ বিষয়ে এলাকার চেয়ারম্যান জনাব ইকরামুল হক সাহেবের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি শুনেছি মাঝে মাঝে এই জুয়ার আসর বসে। এটি বন্ধের জন্য আমি সব রকম চেষ্টা করব। শালবনের বিট কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন হ্যাঁ মাঝে মাঝে এ আসর বসে। আমি বহুবার মৌখিক ভাবে জুয়াড়িদের খেলা বন্ধ করতে বললেও তা বন্ধ করতে পারিনি। এ ব্যাপারে পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ কে এম শওকত হোসেনের কাছে মুঠো ফোনে মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই জুয়া খেলার আসর সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। এ অবস্থায় এলাকার অভিভাবকরা তাদের কিশোর সন্তানদের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। এভাবে অবাধে জুয়া খেলা চলতে থাকলে তাদের সন্তানরাও একদিন জুয়াড়িতে পরিনত হতে পারে। এলাকাবাসী এ জুয়ার আসর বন্ধে জনপ্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট সকলের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।