• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন |

পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত সর্দার নিহত

dakat_94582সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার কাপাসডাঙ্গায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছে আরও তিনজন । তাদেরসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাত জনকে। তাদের ছোড়া বোমায় আহত হয়েছেন পুলিশের তিন সদস্য। পুলিশ জানিয়েছে নিহত ব্যক্তি একটি ডাকাত দলের সর্দার। অন্যরা তার দলের সদস্য।

আহতদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান একটি রিভলবার ও কয়েকটি ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।

জেলা পুলিশের তথ্য কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন জানান, রোববার রাত ৩ টার দিকে একদল ডাকাত খুলনা সাতক্ষীরা মহাসড়কের কাপাসডাঙ্গায় রাকিব অটো রাইস মিলের কাছে গাছের গুড়ি ফেলে পরিবহনে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এসময় এসআই  মতিন ও এএসআই বেল্লালের নেতৃত্ব পাটকেলঘাটা থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি যৌথ টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে। ডাকাতরা তাদের লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি ও পরে বোমা ছুড়ে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা চালায় । পুলিশও এ সময় পাল্টা গুলি চালায়। প্রায় ২০ মিনিট বন্দুকযুদ্ধের পর সড়কের পাশে চার  ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।  তাদেরকে দ্রুত সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করে। তার নাম আবু সাঈদ(৩৫)।

নিহত আবু সাঈদ যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার আওয়ালগাতি গ্রামের এলাহি বকসের ছেলে বলে জানান তিনি। তার বিরুদ্ধে কেশবপুর ও পাটকেলঘাটা থানায় ১১টি মামলা রয়েছে।

কামাল হোসেন আরও জানান, ঘটনার সময় পুলিশ আরও  চার ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে।  তাদের কাছ থেকে ডাকাতি করা কিছু মালামালও জব্দ করা হয়েছে । বন্দুকযুদ্ধের সময় ডাকাতদের ছোড়া বোমার আঘাতে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক  ইসমাইল হোসেন ও দুই কনস্টেবল আহত হয়েছেন।  তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

গুলিবিদ্ধ ডাকাতরা হচ্ছে,পটুয়াখালীর সুপখালি গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে সুবেল খান (২২),খুলনার কয়রা উপজেলার ঘুগরাকাটি গ্রামের কামরুল ইসলামের ছেলে তরিকুল ইসলাম(২৮)ও বাগালি গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে আরিফুজ্জামান অনু (১৮)।

গ্রেপ্তার হওয়া অন্যরা হচ্ছে,পাটকেলঘাটার আচিমতলার আবুল কাসেম (৩০),তৈলকুপি গ্রামের সুমন ইসলাম (২৮),সেনপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম (২৭) ও  বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার লাইনঝিরি গ্রামের রবিউল ইসলাম (২৭)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ