• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

চট্টগ্রামে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা ছিল জেএমবির

jmb21451198254 copyচট্টগ্রাম : নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্যরা বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে নিশ্চিত হয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। রোববার ভোররাতে চট্টগ্রামের আমানবাজার এলাকা থেকে অত্যাধুনিক অস্ত্র এবং বোমা তৈরির বিপুল সরঞ্জামসহ তিন জেএমবি সদস্যকে গ্রেফতারের পর তাদের কাছ থেকে এই জঙ্গি হামলার পরিকল্পনার বিষয়টি জানতে পারে পুলিশ।

পুলিশের অভিযানে তিন জঙ্গি গ্রেফতার এবং অস্ত্র ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের পর জঙ্গিদের এই ভয়াবহ পরিকল্পনা নস্যাৎ করা গেছে বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার বাবুল আক্তার।

রোববার ভোর ৪টার দিকে বাবুল আক্তারের নেতৃত্বে আমানবাজারের ইছহাক ম্যানশন নামের একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে তিন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত জেএমবি সদস্যদের কাছ থেকে একটি এমকে-১১ স্নাইপার রাইফেল, ২৫০ রাউন্ড গুলি, দুই কেজি জেল এক্সপ্লোসিভ, ১০টি ডেটোনেটর, বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম, ১৪টি সামারিক পোশাক, নেমপ্লেট ও বেইজ, র‌্যাংক এবং সাংগঠনিক বিভিন্ন নথিপত্র পাওয়া যায়। গ্রেফতারকৃতরা জেএমবি সদস্যরা হলেন- নয়ন (২৫), ফয়সাল (২৪) ও রাসেল (২৬)।

গোয়েন্দা কর্মকর্তা বাবুল আক্তার রাইজিংবিডিকে জানান, আমানবাজার এলাকায় যে বাসায় অভিযান চালানো হয়, ওই বাসাটি ছিল চট্টগ্রাম অঞ্চলের জেএমবির সামরিক কমান্ডার ফারদিনের আস্তানা এবং বোমা তৈরির কারখানা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার গভীর রাত থেকে বাসাটি ঘিরে রেখে রোববার ভোরের দিকে ওই বাসায় অভিযান চালানো হয়।

তিনি বলেন, ‘ওই বাসায় অবস্থান করে বোমা তৈরি ও অস্ত্র সংগ্রহ করে চট্টগ্রামে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল বলে গ্রেফতারকৃত জঙ্গিরা আমাদের কাছে স্বীকার করেছে। এ ছাড়া ওই বাসা থেকে যে অত্যাধুনিক রাইফেলটি উদ্ধার করেছে সেই রাইফেলটি আমেরিকার তৈরি এমকে-১১ স্নাইপার রাইফেল। এর আগে এত অত্যাধুনিক রাইফেল বাংলাদেশে উদ্ধার হয়নি।’

বাবুল আক্তার আরো বলেন, জঙ্গিরা যে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিল তাতে আর কিছু দিন সময় পেলে তারা চট্টগ্রামে ভয়াবহ হামলা চালানোর সুযোগ পেত। পুলিশের অভিযানে তিন দুর্ধর্ষ জঙ্গি গ্রেফতার ও তাদের আস্তানা ধ্বংস করে দেওয়ার মাধ্যমে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা থেকে চট্টগ্রামকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

বাবুল আক্তার জানান, গ্রেফতারকৃত জঙ্গিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের অন্যান্য সহযোগী এবং আরো আস্তানা আছে কি না, তা সন্ধান করা হচ্ছে। জঙ্গি নির্মূলে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ