• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

আত্মহত্যাও ঠেকাবে ফেসবুক

ফেসবুকআমরা অনেকেই ফেসবুকে এমন সব গোপন অনুভূতি আর আবেগ প্রকাশ করে ফেলি; যা সামনাসামনি হয়তো বলা সম্ভব হয় না। এই ধরণের পোস্ট দেখে আগে থেকে ব্যবস্থা নিয়ে আত্মহত্যার হাত থেকে পোস্টদাতাকে বাঁচানো সম্ভব বলে মনে করছে ফেসবুক।

তাই তারা এনেছে এমন কিছু টুল, যা ফেসবুক ব্যবহারকারীকে নিজের যেকোনো ক্ষতি, এমনকি আত্মহত্যা থেকেও রক্ষা করতে পারে।

মানুষ মূলত হতাশায় ডুবে থাকতে থাকতে একসময় আত্মহত্যার পথে এগিয়ে যায়। সেই আত্মহত্যা ঠেকাতে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি বেশকিছু অনলাইন টুল ফেসবুকে যুক্ত করেছে যা হতাশাগ্রস্ত মানুষদের হতাশা থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করবে।

নতুন টুলগুলো শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়ায় উদ্বোধন করা হয়। এ উদ্দেশ্যে ফেসবুক যুক্তরাষ্ট্রে ফোরফ্রন্ট, নাও ম্যাটারস নাও এবং ন্যাশনাল সুইসাইড প্রিভেনশন লাইফলাইন-এর মতো স্থানীয় মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। আর অস্ট্রেলিয়ায় মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা বিয়ন্ডব্লু এবং হেডস্পেস-এর সঙ্গে কাজ করছে যোগাযোগ মাধ্যমটি।

ফেসবুকের একজন মুখপাত্র এ বিষয়ে বলেন, ‘ফেসবুকে আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো জনগণকে নিরাপদ রাখা।’

এই পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে ফেসবুক আহ্বান জানিয়েছে, কারও ফেসবুক পোস্ট দেখে যদি মনে হয় সে আত্মহত্যার চিন্তা করছে, তবে সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট জরুরি সহায়তা নাম্বারে কল করে সে ব্যাপারে জানাতে। তবে একই সঙ্গে ফেসবুকেও পোস্টটি রিপোর্ট করতে হবে।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রিপোর্টগুলো ২৪ ঘণ্টা পর্যালোচনা করার জন্য এর অনেকগুলো আলাদা টিম রয়েছে। আত্মহত্যার ঝুঁকি কতটা গুরুতর তার ওপর ভিত্তি করে পোস্টকারীকে পপ-আপ ম্যাসেজের (আলাদা উইন্ডোতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যাওয়া ম্যাসেজ) মাধ্যমে কোনো মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। অথবা তার কাছের কোনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হতে পারে।

আবার পোস্টদাতা কীভাবে তার ধ্বংসাত্মক অনুভূতিগুলোকে নিয়ন্ত্রণে আনবেন সে ব্যাপারে সরাসরিও কথা বলা হতে পারে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে।

‘যে ব্যক্তি পোস্টটি রিপোর্ট করবেন আমরা তাকেও বিভিন্ন ধরণের সহায়তা দেবো। যেনো তিনি অবসাদগ্রস্ত বন্ধুটিকে কল করে বা ম্যাসেজ পাঠিয়ে জানাতে পারেন তিনি বিপদে বন্ধুর পাশে আছেন। এছাড়াও তিনি যেনো প্রয়োজনে অন্য কোনো বন্ধু বা সুইসাইড হটলাইনে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন সেই সুবিধাও আমরা দিচ্ছি,’ জানান ওই ফেসবুক মুখপাত্র।

ফেসবুকের নতুন টুলগুলো সম্পর্কে হেডস্পেসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস টান্টি বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারী এ ধরণের সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এই টুলগুলোর মাধ্যমে জনগণকে হতাশাজনিত সমস্যাগুলো সম্পর্কে জানানো যাবে এবং অস্ট্রেলিয়ার যেকোনো প্রান্তে সাহায্য পৌঁছানো সম্ভব হবে। এটা অসাধারণ একটা ব্যাপার।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ