• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন |

শিশুরা গণিতে খারাপ ফল করে যে কারণে

math-live-0সিসি ডেস্ক: শিশুরা কোমলমতি হয়ে থাকে। তাই তাদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন হলে সেটা পড়াশোনায় খারাপ পরিণতি ডেকে আনে। সম্প্রতি ইউনিসেফের এক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে শিশুদের খারাপ ফলাফল করার কারণ। বিশেষ করে গণিতে কেন শিশুরা খারাপ ফল করে এনিয়ে গবেষণায় তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

ইউনিসেফ-এর সহায়তায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশে ১ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের দুই-তৃতীয়াংশকে মারধর করেন মা-বাবাসহ অভিভাবকেরা।

আর ৭৪.৪ শতাংশ শিশুকে মানসিক চাপ দিয়ে শৃঙ্খলা শেখানো হয়। শৃঙ্খলা বলতে শিশুদের পড়াশোনায় মনোযোগী করাসহ অভিভাবকদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজকে বোঝানো হয়েছে। এছাড়া প্রতি তিনজন মায়ের মধ্যে একজন বিশ্বাস করেন, নিয়মকানুন শেখাতে সন্তানদের শাস্তি দেয়া প্রয়োজন।

উইনিসেফের গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুদের উপর শারীরিক ও মানসিক শাস্তির প্রভাবে গণিতের ফল খারাপ করছে শিশুরা। ৮ বছর বয়সে যেসব শিশু এ ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হয়েছে তারা ১২ বছর বয়সে গিয়ে স্কুলে গণিতে খারাপ স্কোর করেছে।

ইউনিসেফ-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের ২ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রতি ১০ জন শিশুর মধ্যে ছয়জনকে নিয়মিতভাবে শারীরিক শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়।

শিশুদের যারা দেখাশোনা করেন তারাই এই শাস্তি দিয়ে থাকেন। শারীরিক শাস্তি বলতে ইউনিসেফ বুঝিয়েছে এমন শাস্তি যেটা দিলে শিশু শরীরে ব্যথা কিংবা অস্বস্তি অনুভব করে।

এমন শাস্তির মধ্যে রয়েছে শিশুর হাত, পা, মুখ, মাথা, কান কিংবা নিতম্ব ধরে ঝাঁকানো বা মার দেয়া।

কোনো অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে শিশুর সঙ্গে চিৎকার করে কথা বলা, তার কাছ থেকে কোনো সুযোগ কেড়ে নেয়া যেন শিশুটি মানসিকভাবে কষ্ট পায় ইত্যাদিকে মানসিক শাস্তি হিসেবে মনে করে ইউনিসেফ।

তাদের গবেষণা বলছে, বিশ্বের ৮০ শতাংশ শিশুকে বোঝানো হয়েছে যে, তারা (শিশু) যেটা করেছে সেটা ঠিক নয়। ৭০ শতাংশের ক্ষেত্রে চিৎকার করে সেটা করা হয়েছে। এছাড়া ৪৮ শতাংশের ক্ষেত্রে শিশুদের কিছু সুবিধা কেড়ে নেয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ