• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে কাঁদলেন কাদের সিদ্দিকী

133776_1গোপালগঞ্জ: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে গিয়ে অঝরে কাঁদলেন তারই হত্যার সশস্ত্র প্রতিরোধ যোদ্ধা বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম।

বঙ্গবন্ধুর পায়ের পাশে বসে নিশ্চুপ মোনাজাতে চোখের পানিতে ব্যক্ত করলেন নিজের অব্যক্ত কথা।

বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের রায়ে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের উপনির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাতিলের পর শুক্রবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যান কাদের সিদ্দিকী।

দীর্ঘদিন নির্বাসিত জীবন শেষে ১৯৯০ সালের ১৮ ডিসেম্বর দেশে ফিরে নিজের হাতে এ সমাধি পরিষ্কার করেছিলেন তিনি। বানিয়েছিলেন কবরে যাওয়ার রাস্তাও।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুরের পর কাদের সিদ্দিকী টুঙ্গিপাড়ায় যান। গাড়ি থেকে নেমেই শেখ বাড়ি মসজিদে নামাজ পড়েন। এরপর বঙ্গবন্ধুর কবরের যে পাশে পা, সেখানে গিয়ে বসেন। অঝরে কাঁদেন। অনেকক্ষণ নিশ্চুপ থেকে, মোনাজাত করে সোজা চলেন আসেন ঢাকা।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কর্মীরা জানান, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর মন যখন খুব খারাপ থাকে, তখনই তিনি চলে যান বঙ্গবন্ধুর সামাধিতে। সেখানে গিয়ে তিনি মানসিক শান্তি পান। তাই হাইকোর্টের রায়ে যখন বঙ্গবীরের মনোনয়নপত্র বাতিল হলো, তখনই তিনি চলে গেলেন বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নেতা ফরিদ আহমেদ, যুব আন্দোলনের আহ্বায়ক হাবিব উন নবী সোহেল, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি নিয়ন সিদ্দিকী প্রমুখ।

এদিকে বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত শেষে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘যখনই মানসিক শান্তি প্রয়োজন চলে যাই বঙ্গবন্ধু মাজারে। এবারও তাই করলাম।’

মনোনয়নপত্র বাতিলের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মহামান্য হাইকোর্ট রায়ে আমাদের নির্বাচন কমিশন ট্রাইব্যুনালে যেতে বলেছেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন ট্রাইব্যুনাল তো নির্বাচনের পরে, আর আমাদের মামলা তো নির্বাচনের আগে। তাই আমরা ভেবে দেখছি কী করা যায়।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ