• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত

উত্তরায় দগ্ধ পরিবারের দুই ভাইয়ের মৃত্যু

135798_1ঢাকা: রাজধানীর উত্তরায় একটি বাসায় গ্যাসপাইপ বিস্ফোরণে দগ্ধের ঘটনায় দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।

নিহতরা হল- শারলিন বিন নেওয়াজ (১৪) ও জায়ান বিন নেওয়াজ (১৪ মাস)।

শরীরের ৮৮ শতাংশ পুড়ে যাওয়া শারলিন বিন নেওয়াজ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে শুক্রবার বিকেল ৫টায় মারা যায়। আর জায়ান মারা যায় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে। তার শরীরের ৭৪ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

ওই বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। নিহত দুই শিশুর বাবা-মায়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

শুক্রবার সকালে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ১৩ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর রোডের ৮ নম্বর বাসায় বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দগ্ধ হন- ওই পরিবারের কর্তা মো. শাহনেওয়াজ (৪৫), তার স্ত্রী সুমাইয়া খানম (৩৫), তাদের সন্তান শারলিন (১৪), জারিফ (৯) এবং  জায়ান (১৪ মাস)।

ঢামেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন সকালে জানিয়েছিলেন, আগুনে শাহনেওয়াজ, সুমাইয়া ও শারলিনের শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এ ছাড়া জারিফ ও জারানের শরীরের ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা আতিকুল আলম চৌধুরী জানান, সকাল ৭টার দিকে উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর রোডের একটি সাততলা ভবনের সপ্তম তলার ফ্ল্যাটে রান্নাঘরের আগুনে ওই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়।

ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে দগ্ধদের উদ্ধার করে স্থানীয়দের সহায়তায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।

আবুল হাসনাত নামের এক ব্যক্তি সকাল ৮টার দিকে দগ্ধ ওই পাঁচজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন বলে জানান হাসপাতাল ফাঁড়ি পুলিশের পরিদর্শক মোজাম্মেল হক।

মোজাম্মেল আরো বলেন, ‘হাসনাত আমাদের বলেছেন, সকালে ওই বাড়ির রান্নাঘর থেকে বিকট শব্দ হয় এবং আগুন ধরে যায়।  পরে তা ছড়িয়ে পড়ে।’

ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ধারণা, ওই বাসার গ্যাসের চুলা বা লাইনে সমস্যা ছিল। এর ফলে  রান্নাঘরে গ্যাস জমে যায় এবং সকালে চুলা জ্বালাতে গিয়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

দগ্ধ পরিবারটির আত্মীয়-স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ পরিদর্শক মোজ্জাম্মেল বলেন, দগ্ধ শাহনেওয়াজ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রকৌশল বিভাগে মেইনটেইনেন্স ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি করেন। তাদের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। উত্তরার ওই বাসায় গত ২০ ফেব্রুয়ারি পরিবার নিয়ে উঠেছিলেন শাহনেওয়াজ।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা আতিকুল আলম চৌধুরী জানান, সকাল ৭টার দিকে উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর রোডের একটি সাততলা ভবনের সপ্তম তলার ফ্ল্যাটে রান্নাঘরের আগুনে ওই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়।

ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে দগ্ধদের উদ্ধার করে স্থানীয়দের সহায়তায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।

আবুল হাসনাত নামের এক ব্যক্তি সকাল ৮টার দিকে দগ্ধ ওই পাঁচজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন বলে জানান হাসপাতাল ফাঁড়ি পুলিশের পরিদর্শক মোজাম্মেল হক।

মোজাম্মেল আরো বলেন, ‘হাসনাত আমাদের বলেছেন, সকালে ওই বাড়ির রান্নাঘর থেকে বিকট শব্দ হয় এবং আগুন ধরে যায়।  পরে তা ছড়িয়ে পড়ে।’

ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ধারণা, ওই বাসার গ্যাসের চুলা বা লাইনে সমস্যা ছিল। এর ফলে  রান্নাঘরে গ্যাস জমে যায় এবং সকালে চুলা জ্বালাতে গিয়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

দগ্ধ পরিবারটির আত্মীয়-স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ পরিদর্শক মোজ্জাম্মেল বলেন, দগ্ধ শাহনেওয়াজ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রকৌশল বিভাগে মেইনটেইনেন্স ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি করেন। তাদের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। উত্তরার ওই বাসায় গত ২০ ফেব্রুয়ারি পরিবার নিয়ে উঠেছিলেন শাহনেওয়াজ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ