ঢাকা: রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা বলেছেন, জনবিচ্ছিন্ন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া এখন তিন নম্বর নেত্রীতে পরিণত হয়েছেন। জঙ্গীবাদ-সন্ত্রাসবাদ ও জামায়াতের সঙ্গ না ছাড়লে আগামীতে দেশের জনগণ বিএনপি নেত্রীকে কোনো নম্বরেই রাখবে না। তারা বিএনপি-জামায়াত জোটের সহিংসতা ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেন।
রোববার রাতে সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে চলা আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, গোলাম রাব্বানী, ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ, ফরহাদ হোসেন, আবুল কালাম মো. এহসানুল করিম ও গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস।
আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আলম মাহমুদ স্বপন বিএনপি-জামায়াতের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, দেশে এখন তিন নেত্রী। একজন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যিনি শত ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত মোকাবেলা করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আরেকজন হচ্ছেন বিরোধী দলের নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ।
আরেকজন আছেন যিনি দেশের তিন নম্বর নেত্রী খালেদা জিয়া। যিনি সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদের মাধ্যমে দেশকে তালেবানী রাষ্ট্র বানানোর ষড়যন্ত্র করছেন। দেশের জনগণ আর এই তিন নম্বর নেত্রীর কোন চক্রান্ত বাস্তবায়িত হতে দেবে না।
কানসার্ট আন্দোলনের নেতা গোলাম রাব্বানী বলেন, সন্ত্রাসী-জঙ্গীবাদের ধারক-বাহক জামায়াত ও বন্দুকের নলের মাধ্যমে জন্ম নেয়া দলের নেত্রী খালেদা জিয়া দেশকে পেছনের দিকে ঠেলে দিতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ়তার সঙ্গে নস্যাত করে দিয়েছেন।
জামায়াত-শিবির দেশ, জাতি ও স্বাধীনতার শত্রু। ভুলে গেলে চলবে না জামায়াত-শিবির চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে মানুষের রগ কাটছে, মানুষ হত্যা করছে, জানমাল ধ্বংস করছে। এদের ব্যাপারে কোনো অনুকম্পা দেখানো চলবে না। আমাকে হত্যার জন্য বিএনপি-জামায়াত-শিবির ন্যাক্কারজনক হামলা করেছে। এলাকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে।
ঢাকা-১৬ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত সরকারি দলের সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলী মোল্লাহ বলেন, জনবিচ্ছিন্ন খালেদা জিয়া এখন সংসদেও নেই, রাজপথেও নেই। সব ট্রেন মিস করে এখন উপজেলা নির্বাচনে গিয়েছে। সেখানেও জনগণ তাদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে।