ঢাকা: সাংবাদিক সমাজ এগিয়ে আসায় ধন্যবাদ জানিয়েছেন দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান। তিনি বলেন, “সাংবাদিক সংগঠনগুলো এগিয়ে এসেছে তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। তারা এসে আমাদের পক্ষে দাড়িঁয়েছে। এতে আমাদের বিশেষভাবে শক্তি দিয়েছে। এতে আমরা উৎসাহিত হয়েছি।”
মঙ্গলবার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে তার বক্তব্য উপস্থাপন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
মতিউর রহমান বলেন, “আদালত আমাকে ঢেকেছিল। আমি যে বক্তব্য আদালতে উপস্থাপন করেছি তা পড়েছি কি না বা জেনে বুঝে তাতে স্বাক্ষর করেছি কিনা তা জানতে চেয়েছেন। আমি বলেছি আমরা এটা জেনে বুঝে করেছি। বুঝে শুনেই আমাদের বক্তব্য দিয়েছি।’
তিনি বলেন, “আমরা সাংবাদিক সমাজ বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য সব সময় সোচ্চার ছিলাম, আছি, থাকবো। বাংলাদেশের বিচার বিভাগের অনেক বড় বড় যৌক্তিক সিদ্ধান্ত আছে যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সহায়তা করেছে।”
তিনি বলেন, “কোর্ট জানতে চেয়েছিল সম্পাদকীয় বিষয়ে। একজন সম্পাদক হিসেবে তার দায়িত্ব তো আমাদের নিতেই হয়। তবে এটাও আদালতে বলেছি বিশেষভাবে বিশেষ কোনো কোর্টকে ক্ষতিগ্রস্ত করা বা দুর্বল করা আমাদের উদ্দেশ্য ছিল না। আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কোর্টকে দুর্বল করতে চাইনি।”
তিনি বলেন, “সাংবাদিক সমাজ ও বিচার বিভাগের যৌথ ভুমিকা অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিচার বিভাগের সাথে সংঘর্ষ হোক বা সম্পর্কের অবনতি হোক বা কোনো ধরনের সংকট তৈরি হোক তা আমরা চাই না।”
প্রথম আলোর সম্পাদক বলেন, “আজকে বিশেষ অবস্থায় আপনারা দেখেছেন ১৬ জন সম্পাদক বিবৃতি দিয়েছেন। সাংবাদিক সংগঠনগুলো এগিয়ে এসেছে তাদেরক ধন্যবাদ জানাই। তারা একত্রে এগিয়ে এসে আমাদের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। আমাদের বিশেষভাবে শক্তি দিয়েছে। এতে আমরা উৎসাহিত হয়েছি।”
তিনি বলেন, “আমরা সাংবাদিক সমাজ, সম্পাদক, প্রকাশক সবাই মিলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষায় থাকবো। একই সঙ্গে আমাদের প্রচার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টায় অটল থাকবে।”
মতিউর রহমান বলেন, “আমাদের দেয়া বক্তব্যে বলেছি, সিনিয়র কয়েকজন আইনজীবী ঢালাওভাবে সাংবাদিকতা নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা গ্রহণযোগ্য নয়। এর মাধ্যমে সাংবাদিকদের হেয় করা হয়েছে। সাংবাদমাধ্যম ও বিচারবিভাগ মুখোমুখি করে ফেলাটাও কারো জন্য ভালো হবে না।”