রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: “বিকালে চাউল আনতে কইলাম, বাজারে যাইয়া চাউল নিয়া আসার পথে হেরা আমার মাইয়ারে কি করলো গো… আজ দেহি আমার মাইয়া পানিতে পইড়া আছে। কি দোষ আছিলো আমার মাইয়ার গো, তোমরা এর বিচার করোগো?” কথাগুলো বলছিলেন নিহত শিশু কন্যা শারমিনের মা ফজেলা খাতুনের।
শুক্রবার বিকেলে রৌমারীর বড়াইকান্দি বাজারে চাল আনতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি তৃতীয শ্রেনীর ছাত্রী শারমিন (৯) । শনিবার সকালে ওই বাজারের সন্নিকটে ডোবা থেকে পুলিশ তার বিবস্ত্র লাশ উদ্ধার করে। শারমিনের (৯) বাড়ি উপজেলার বোয়ালমারী গ্রামে তার পিতার নাম সাদেক আলী।
স্থানীয়রা জানায়, সাদেক আলী একজন ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী। তার সাথে কারো শত্র“তা থাকার কথা নয়। আমাদের ধারণা হয়ত তাকে গণধর্ষণের পর হত্যা করে পানিতে ফেলে দেয়া হয়েছে। পুলিশ লাশের সাথে আলামত হিসেবে ওই ডোবার নিকট ভুট্টা ক্ষেত থেকে ৩ জোরা সেন্ডেল, চুড়ি,ও একটি খরচের ব্যাগ উদ্ধার করেছে।
শনিবার সকালে নিহতের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় এক হৃদয় বিদারক দৃশ্য। মা ফজেলা খাতুন বার বার মূর্চা যাচ্ছেন। সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে তাদের কাছে এ হত্যাকান্ডের বিচার চাচ্ছেন। শারমিন ২ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে ২য়। সে রৌমারীর বোয়ালমারী সরকারী প্রাথমিক স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী।
এ ব্যাপারে রৌমারী থানার ওসি মোখলেছুর রহমান জানান, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে পোষ্টমর্টেম ছাড়া কিছুই বলা যাচ্ছে না। মামলা হচ্ছে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।