সিসি নিউজ: দুই বাংলার কবি সাহিত্যিকদের নিয়ে এক প্রাণবন্ত সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় প্রেসক্লাবে রবিবার। বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় সাহিত্য-সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদলকে নিয়ে এই আড্ডার আয়োজন করেন কবি, সাংবাদিক ও ভ্রমণলেখক মাহমুদ হাফিজ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেশবরেণ্য কবি ও গীতিকার কে জি মোস্তফা।
সরস আডডায় দুই বাংলার কবি সাহিত্যিকদের মধ্যে উপস্থিত হন কবি আল মুজাহিদী, এরশাদ মজুমদার, এম এ রকিব, শৈলেন সাহা, সৈয়দ আহমেদ আলী আজিজ, বরুণ চক্রবর্তী, অরিন্দম আচার্য, জাহাঙ্গীর ফিরোজ, সৈয়দ লুৎফুল হক, রফিক ভুঁইয়া, শাহাদাত হোসেন খান, শামসুল আলম বেলাল, আবদুল মান্নান, ফরিদা ইয়াসমিন, তারিফ রহমান, রূপকুমার পাল, মাইন উদ্দিন আহমেদ, কাজিম রেজা, নাসের মাহমুদ, বিলু কবীর, রুহুল গণি জ্যোতি, রফিক হাসান, শেখ সিরাজুল ইসলাম, মুকুল রায়, শাহনাজ নাসরীন, ইসমত
শিল্পী, তাসরীন প্রধান, মৈনাক দে, অয়ন কান্তি ঘোষ, সুব্রত দাস, সুরজিৎ ঘোষ, সরোজ দে প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ভারতীয় সাহিত্য-সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করছে নন্দিনী সাহিত্য ও পাঠচক্রের আমন্ত্রণে। গত শুক্রবার ঢাকায় নন্দিনী আয়োজিত আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলনে প্রতিনিধিদল যোগ দেয়। অনুষ্ঠানে কবি আল মুজাহিদী বলেন, কবিতার মধ্য দিয়ে আমাদের স্বাধীনতার চেতনাকে সমুন্নত করে তুলতে হবে। এরশাদ মজুমদার বলেন, কবিতায় আধ্যাত্মিকতা থাকতে হবে। কবি রুমী, হাফিজ, মীর তকি মীর প্রমুখ কালজয়ী কবি প্রার্থিব পুরস্কারের জন্য কাব্যচর্চা করেননি। কেজি মোস্তফা বলেন, কবিতায় মানুষের সাধনার চেয়ে বড় কিছু নাই। কলকাতার কবি বরুণ চক্রবর্ত্তী বলেন, প্রতি বছরই বাংলাদেশে আসি। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি এখানকার মানুষের টান দেখে অভিভূত হই। দিল্লীর বাংলা ভাষার কবি শৈলেন সাহা বলেন, এ দেশ আমাদের পূর্বপুরুষের দেশ। এখানকার নদী, প্রকৃতি, মানুষ আমাদের আত্মার আত্মীয়। মাহমুদ হাফিজ বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে বহু মানুষ অন্তরালে কাজ করে যাচ্ছেন, যারা মানুষ ও ভালবাসার পিছনেই ছুটছেন প্রচারের পিছনে নয়।