নীলফামারী প্রতিনিধি: ডিমলায় পাঁচদিন পর বৃহস্পতিবার বিকেলে অবশেষে ধর্ষিতার মামলা রেকর্ড করলো পুলিশ। গত ২৩মার্চ উপজেলার রামডাঙ্গা গ্রামে সংখ্যা লঘুপরিবারের গৃহবধু ধর্ষণের শিকার হলে ডিমলায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন ধর্ষিতা মালতী রানী(২২) কিন্তু মামলা রেকর্ড না হওয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠে।
মামলা সুত্র জানায়, গত রবিবার বিকালে ডিমলা সদর ইউনিয়নের রামডাঙ্গা গ্রামের ভ্যান চালক মানিক চন্দ্র রায়ের স্ত্রী মালতী রানী(২২) বাড়ির পাশ্ববর্তি মরিচ ক্ষেতের পরিচর্যা করতে গেলে প্রতিবেশি সফিজ উদ্দিনের পুত্র শামিম মিয়া(২৫) মালতি রানির মুখ চেপে ধরে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে জোড় পূর্বক ধর্ষন করেন। ধর্ষনের সময় গৃহবধুর চিৎকারে লোকজন ছুটে আসলে ধর্ষক শামিম পালিয়ে যায়।
মালতি রানী অভিযোগ করেন, ধর্ষক শামিম মিয়ার পক্ষ্য নিয়ে ঘটনাটি মিমাংসা করার জন্য চাপ ও হুমকী দিয়ে আসছিল প্রভাবশালীরা। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশও আসামী পক্ষে অবস্থান নিয়ে মামলা রেকর্ড করতে টালবাহানা করেন।
যোগাযোগ করা হলে ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) শওকত আলী জানান, বাদীর লিখিত অভিযোগটি তদন্ত করে বৃহস্পতিবার বিকেলে মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। মামলা নম্বর ১১। আসামীকে ধরতে তৎপরতা শুরু করেছে পুলিশ।