বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: বীরগঞ্জ পৌরসভার সরকারী, বেসরকারী, এনজিও ও বাসা-বাড়ির ১৫ লক্ষ টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স অনাদায়ীর কারনে উন্নয়ন কাজ বাধাগ্রস্থ্য হচ্ছে।
বীরগঞ্জ পৌরসভার কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, ২০০৮-০৯ হতে ২০১৩-১৪ইং পর্যন্ত সরকারী, বেসরকারী, এনজিও ও বাসা-বাড়ির ১৫ লক্ষ টাকা শুধুমাত্র হোল্ডিং ট্যাক্স অনাদায়ীর কারনে উন্নয়ন কাজ বাধাগ্রস্থ্য হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান সমুহ হচ্ছে বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ (দুই লক্ষ বাইশ হাজার দুইশত ছয় টাকা), ইব্রাহিম মমোরিয়াল শিক্ষা নিকেতন (বিরাশী হাজার দুইশত ছয় টাকা), জগদল লুথারেন চার্চ মিশন (পচাঁত্তর হাজার নয়শত বাহাত্তর টাকা), সহকারী কমিশনার ভূমি (ছাপান্ন হাজার দুইশত ছয় টাকা), মহিলা কলেজ (ছাপান্ন হাজার টাকা), বীরগঞ্জ ফাজিল মাদ্রাসা (পয়চল্লিশ হাজার নয়শত ছিয়ানব্বই টাকা), সুজালপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মাষ্টার (উনত্রিশ হাজার একশত ছত্রিশ টাকা ) ও ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার অফিস (পচিশ হাজার চারশত পাঁচ টাকা)সহ ১নং হতে ৯নং ওয়ার্ডের প্রায় এক হাজার ঘর-ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠান ২০০৮-০৯ হতে ২০১৩-১৪ইং পর্যন্ত সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ও বাসা-বাড়ির ১৫ লক্ষ টাকা শুধুমাত্র হোল্ডিংটেক্স প্রদান না করে নানান টালবাহানা করে ৬ বছর ধরে হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদান করেন না এবং পৌর কতৃপক্ষকে কেয়ার করেন না।
পৌর প্যানেল মেয়র মেহেদী হাসান ও সচিব আব্দুল হানিফ সরদারের সাথে সাক্ষাত করা হলে তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, কর অনাদায়ের কারনে পৌরসভার উন্নয়ন কাজ বাধাগ্রস্থ্য হচ্ছে। তারা আরো জানান শুধুমাত্র শতভাগ ট্যাক্স আদায়ের শর্তে আগামী ৫ বছরে ১৫ কোটি টাকা পৌরসভা উন্নয়নে ব্যায় করবে নর্দান বাংলাদেশ ইন্টিগ্রেটেড প্রকল্প। সেই প্রকল্পটি ফেরত চলে যেতে পারে কর বকেয়ার কারনে। তাই তারা সকল পৌরবাসির কাছে অনুরোদ করেন বকেয়া পৌর কর পরিশোধ করে উন্নয়ন কাজে সহযোগিতা করুন।