
গাইবান্ধা: জেলার গোবিন্দগঞ্জে আবারো এক যুবতীকে আটকে রেখে জোরপূর্বক গণধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, উপজেলার সাপমারা ইউপির খামারপাড়া গ্রামের আখতারের পুত্র মুন্নু মিয়া (২২) সাঘাটা উপজেলার খামার ধনারুয়া গ্রামের রমজান আলীর কন্যা পাপিয়া (২০) নামের কলেজ ছাত্রীর সঙ্গে র্দীঘ দিন যাবত মোবাইল ফোনে প্রেম সম্পর্ক গড়ে তোলে ।
এক পর্যায়ে মুন্নু মিয়া শনিবারে বিকালে পাপিয়াকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ডেকে এনে মুন্নু সহ ৫ বন্ধু মিলে সিনেমা দেখে সন্ধ্যায় ফুলহার বারনী মেলায় যায়। সেখান থেকে রাত ৮টার দিকে বাড়ি যাওয়ার কথা বলে সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামার এলাকার নির্জন স্থানে ৪ বন্ধু পর্যায়ক্রমে সাপমারা ইউপি চেয়ারম্যান এর পুত্র রতন সরদার (২৫), ও চেয়ারম্যানের জামাই (অজ্ঞাত), খামার পাড়ার সেফাত উল্লার পুত্র ছাদেক আলী(৩৫), মতি সরদারের পুত্র শামীম সরদার (২৫), মোখছেদ আলীর পুত্র রুবেল (৩৫), পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং পাপিয়াকে ফেলে রেখে পালানোর সময় পাপিয়া মুন্নুর পিছু নিয়ে বাড়িতে যায়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে সাপমারা ইউপি চেয়ারম্যান জানান, ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে । তবে আমাকে হেয় করতেই একটি মহল আমার স্বজনদের জড়িয়ে মিথ্যাচার করছে। পাপিয়া প্রেমিক মুন্নুর বাড়িতে রয়েছে বলে জানা গেছে।