• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৪ অপরাহ্ন |

চিরিরবন্দরে হজ্ব যাত্রী নিয়ে চলছে তেলেসমাতি কারবার

Oniomচিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় হজ্ব যাত্রীর চেয়ে হজ্বযাত্রী সংগ্রহে দালালের সংখ্যা বেশি। ক্ষেত্রে হজ্ব নীতিমালা মানা হচ্ছে না। সারা দেশের ন্যায় বৈধ এজেন্সির নাম ব্যবহার করে দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে চলছে হজ্বযাত্রী সংগ্রহের অভিযান। এজেন্সিরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ভিত্তিক ৫/৭ জন সঙ্গী নিয়ে শুরু করে দিয়েছে অভিযান। এদের মধ্যে  ২/৩ জনকে হজ্ব পালনের প্রতিশ্র“তি, বাকিদেরকে কমিশন, দেওয়ার প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন। এ ছাড়াও অন্যান্য এজেন্টের মাধ্যম থেকে বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে অসংখ্য লোক আসছে হজ্ব যাত্রী সংগ্রহে- এরা হজ্ব যাত্রীদের বাড়ীতে গিয়ে মিষ্টি মিষ্টি কথা আত্মীয়তার পরিচয় দিয়ে হোটেল রেস্তোরায় বড় বড় মিষ্টি দই খাওয়ানো বাসায় ডেকে এনে মাংস পোলাও বিরিয়ানি খাওয়ানোর ব্যবস্থা সহ অনেক ওয়াদা নছিহত অফারের উপর অফার দেওয়ার প্রতিশ্র“তি দিয়েও হজ্ব যাত্রীদের আয়াত্বে নিতে না পারলে অন্যান্য এজেন্সির বিভিন্ন দোষক্রটি তুলে ধরে আয়ত্বে নেয়ার চেষ্ঠা অব্যাহত রেখেছে। সর্বশেষ চেষ্ঠা বিফল হলে সরকারী ব্যবস্থা হজ্ব পালনের জন্য যেতে অনুরোধ রেখে ফিরে আসছেন তারা। জানা গেছে প্রতিজন হজ্ব যাত্রীর কাছ থেকে ৩০/৪০ হাজার টাকা অবৈধ আয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। এ জন্য তারা হন্যে হয়ে দারে দারে চলাফেরা করতে কিছুতে কান্তিবোধ মনে করছে না। হজ্ব যাত্রী সংগ্রহ হলে প্রথমে পার্সপোর্ট বাবদ ও অন্যান্য খরচ বাবদ ১০/২০ হাজার টাকা আগাম নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যা জাতীয় হজ্ব নীতিমালায় দন্ডনীয় অপরাধ বলে, হজ্ব নীতি মালা(৭.১) ধারা ভঙ্গ করে হজ্ব অগ্রিম টাকা গ্রহন করার অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় হজ্ব নীতিতে আরো উল্লেখ্য আছে-প্রত্যেক এজেন্সি/সত্বধিকারীর সঙ্গে হজ্ব পালনে (৪.১) ধারায় চুক্তি করুন। অন্য কারো কথায় হজ্ব পালনে চুক্তি করবেন না। আরো জানাগেছে দালালরা তাৎনিক হজ্বে গমন ইচ্ছুকদেরকে আবদ্ধ করতে তৎপর রয়েছে। হাজি সংগ্রহের দালাল  বাংলাহিলির আব্দুল মান্ননের (ক্বারি)  সঙ্গে তার মোবাইলফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি যানান অত্র এলাকায় তার ১৫০ জনের মত হাজি সংগ্রকারী রয়েছে এবং এদের মাধ্যমে ল ল টাকা কামিয়ে বর্তমানে দামি মটর সাইকেল ব্যবহার করছেন বলে জানা গেছে।এ ব্যাপারে সরকারের সুনির্দিষ্ট আইন ও নীতিমালা থাকলেও তা কার্যত পত্র/পত্রিকায় ও গ্রেজেটে প্রকাশ ছাড়া কোথায় কার্যকরীতা দেখা যাচ্ছে না। হজ্ব সংগ্রহকারী দালালেরা মোটা অংকের টাকা দিয়ে সংশ্লিষ্ঠ আইন প্রয়োগকারীদের সার্বক্ষনিক ম্যানেজ করে চলছে অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখিত হাজী সংগ্রহ দালালদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে হস্তপে কামনা করেছেন সচেতন হজ্ব যাত্রীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ