ঢাকা: রাজধানীর তেজগাঁওয়ে একটি হার্ডওয়্যারের দোকানে লাগা আগুনে নিহত একজন মারা গেছেন।তার নাম আব্দুল লতিফ (৭০)। পেশায় তিনি ভ্যানচালক ছিলেন। এঘটনায় এক শিশুসহ আরও ১০ জন আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক ফজলুর রহমান জানান, রাত ১টার দিকে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লতিফ মারা যান। তার শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ পুড়ে যায় বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।দুপুর পৌনে ৩টার দিকে তেজগাঁও মহিলা কলেজের পাশের ওই দোকানে আগুন লাগে। এতে আহত হন- সফিউল আজম (৪৫), খলিলুর রহমান (৩৬), মাহমুদুল হাসান (৩৭), জহিরুল ইসলাম (৬০), মো. মাসুদ (২৫),জাকির (২৫), উজ্জ্বল (২৫), শাম্মী আকতার (১৯), ইফফাত আরা ইয়াসমিন (১৯) ও মোতালেব (১২)। এদের মধ্যে সফিউল, খলিলুর ও শিশু মোতালেবের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।হাসপাতালের চিকিৎসক অধ্যাপক সাজ্জাদ খন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, এই তিনজনের শরীরের ৭৫ থেকে ৯৬ শতাংশ পুড়ে গেছে, শ্বাসনালীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া মাহমুদুল হাসানের শরীরের ৩৫ ভাগ, জহিরুলের ৩৪ ভাগ, মাসুদের ২৫ ভাগ, জাকির ও উজ্জ্বলের ২৫ ভাগ পুড়েছে। আগুনে পুড়ে যাওয়াদের মধ্যে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির বিবিএর শিক্ষার্থী শাম্মী ও নর্দান ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী ইফফাত আরার পা পুড়ে গেছে।তেজগাঁও থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম বলেন, চারতলা ভবনের নিচতলায় একটি দোকানে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট সাড়ে ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই ভবনের তৃতীয় তলায় আলাউদ্দিন গার্মেন্টস নামে একটি পোশাক কারখানা রয়েছে। তবে আগুনে ওই কারখানার কোনো ক্ষতি হয়নি।