সিসি ডেস্ক: পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে তার বিয়ে ভাঙ্গার খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দিলেন সানিয়া মির্জা নিজেই। ছুটি কাটাতে সানিয়া এখন শিয়ালকোটে শ্বশুর বাড়িতে। তার কথায়, সকলে এক সঙ্গে বসে টি২০ ফাইনাল দেখলাম। ঘরে বসে ভারতের জন্য গলা ফাটালাম। ভারত হেরে যাওয়ার কষ্ট পেয়েছি। আবার মেনে নিয়েছি, দিনটা ছিল শ্রীলঙ্কার। শোয়েব প্রসঙ্গে তিনি বললেন, আমরা দুজনেই পেশাদার খেলোয়াড়। খেলাটাকে আমরা বরাবরই বেশি গুরুত্ব দিই। তাই দুজনের মধ্যে দেখা-সাক্ষাৎ কম হয়। কিন্তু কী করা যাবে? এ নিয়ে চলতে হবে। স্বামীর ক্রিকেটার জীবন নিয়ে সানিয়ার চিন্তা যে কম নয় তাও বুঝিয়ে দিয়েছেন, শোয়েব ফর্মে ফিরে এলে সবচেয়ে খুশি হব। দারুণ চেষ্টা করছে। আমার আশা, ও পারবে।
৪ বছর হল সানিয়া-শোয়েবের বিয়ে হয়েছে। চার বছরের মধ্যে বহু বার বিয়ে ভাঙ্গার কথা খবরের কাগজে বেরিয়েছে। এ প্রসঙ্গে সানিয়ার মন্তব্য, আমাদের জীবন এত সহজ নয়। দুজনেরই দেশ আলাদা। এ নিয়ে আমাদের মধ্যে চাপ রয়েছে। তা সত্ত্বেও আমরা বিযয়টাকে সামলে নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কোনও সমস্যা নেই।
নিজেদের জীবন ঘিরে বিতর্ককে আমল দিতে নারাজ সানিয়া। তার ব্যাখা, আমরা দুজনেই নিজেদের খেলার জগৎ নিয়ে এতটাই ব্যস্ত থাকি, দেখা করার সময় পাই না। ফলে বিতর্ক তৈরি হয়। নিজেরা একে-অপরকে সময় দিতে না পারলেও ভালোবাসায় কোনও ঘাটতি নেই। চার বছর আগে দুজনের ভালোবাসা যে রকম ছিল, এখনও তাই রয়েছে।
১৬ এপ্রিল সানিয়া চলে যাবেন ইউরোপিয়ান সার্কিটে। শিয়ালকোটে সানিয়ার গলায় আবেগের সুর, শোয়েবের সঙ্গে বাজারে যাচ্ছি। রেস্তোরাঁয় খেতে যাচ্ছি। সকলে আমাকে দেখছেন। প্রথমে চিনতে পারছেন না। পাশে শোয়েবকে দেখার পর অটোগ্রাফের খাতা বের করে দিচ্ছেন। মোবাইলে ছবি তুলে রাখছেন। বেশ মজা লাগছে। এই দিনগুলো সাধারণত আসে না। তাই যতটা সম্ভব, আমরা দুজনে একসঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করছি।
পাকিস্তানে নিরাপত্তার সমস্যা। নানা ঝামেলা সত্ত্বেও শোয়েবের সঙ্গে দেখা করতে আসা কোনও দিন আটকায়নি। ভারতীয় টেনিস তারকার মন্তব্য, সবাই পাকিস্তানের নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলেন। আমার কোনও দিন এ সব সমস্যা হয়নি। আমার সব সময় মনে হয় শ্বশুর বাড়ি যাচ্ছি।