আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের উত্তর প্রদেশে একের পর এক ধর্ষনের ঘটনায় রীতিমতো উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটি। ২ কিশোরীকে গণধর্ষণের পর হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই উত্তর প্রদেশের এক নারীকে থানায় আটকে রেখে পুলিশের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাতে রাজ্যের হামিরপুর জেলার একটি থানায় এ ঘটনা ঘটে। ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম আজ বৃহস্পতিবার এ খবর জানিয়েছে।
ওই নারী অভিযোগ করেন, থানায় আটক স্বামীকে ছাড়িয়ে আনতে সোমবার রাতে থানায় যান তিনি। এ সময় স্বামীর মুক্তির বিনিময়ে তাঁর কাছে ঘুষ চাওয়া হয়। ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় থানার উপপরিদর্শক তাঁকে নিজ কক্ষে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় গতকাল ১টি মামলা করেছেন ওই নারী। ওই নারীর মামলার পরিপ্রেক্ষিতে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। অন্যরা পালিয়ে গেছেন।
অপরদিকে, উত্তর প্রদেশের বাহরাইচ জেলায় ৪৫ বছর বয়সী আরেক নারীর লাশ গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ওই নারীকেও ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর স্বামী ও ছেলে।
জিনিউজ বাংলা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, উত্তর প্রদেশে নারী নির্যাতনের ঘটনা ক্রমবর্ধমান। অন্যান্য যৌন নির্যাতনের সঙ্গে সঙ্গে উত্তর প্রদেশে প্রতিদিন গড়ে অন্তত ১০টি ধর্ষণের ঘটনা নথিভুক্ত হয়। বাস্তব চিত্রটা স্বাভাবিকভাবেই আরো ভয়াবহ।
সম্প্রতি উত্তর প্রদেশে একের পর এক ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ভারতজুড়ে চরম নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। লোকসভায় দেওয়া ভাষণে ধর্ষণ নিয়ে রাজনীতি না করতে রাজনীতিবিদদের সতর্ক করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নারীদের সুরক্ষা বিধানে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।