নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীতে অন্যের জমি একটি মাধ্যেমিক বিদ্যালয়ের নামে রেজিষ্ট্রি দিয়ে আজীবন দাতা সদস্য হয়েছে ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে জেলার ডোমার উপজেলার পাঙ্গা মহেশ চন্দ্র লালা উচ্চ বিদ্যালয়ে। আবার একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ১৯৮৮ সালে ওই বিদ্যালয়ের নামে জমি রেজিষ্ট্রি দিয়ে আজীবন বিদ্যোৎসাহী সদস্যকে কমিটিকে না নিয়ে পছন্দসই ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠন করে নানা অনিয়ম করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ডোমার উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দায়ের করা অভিযোগে জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি ভুমিহীন রউফ উল করিম গত ১৮ জুন তার চাচার ১৫ শতাংশ জমি বিদ্যালযের নামে রেজিষ্ট্রি দিয়ে আজীবন দাতা সদস্য হিসাবে আবেদন করেন। যার দলিল নং-১৫৫৯, তারিখ-১৮/০৬/২০১৪ইং। এ নিয়ে জমির মালিক তহিদুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন। অপরদিকে একই বিদ্যালযের স্থায়ী বিদ্যোৎসাহী সদস্য ওয়াহেদুল ইসলাম এর নির্বাহী অফিসার বরাবর দায়ের করা অভিযোগে জানা যায়, গত ২৩/০৬/১৯৮৮ তারিখের শিক্ষক অভিভাবক কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ০৬/০৭/১৯৮৮ তারিখে ৬০০৬ নং দলিলমুলে ২০ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ে দান করে স্থায়ী বিদ্যোৎসাহী সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয়। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু হানিফা ও সভাপতি রউফুল উল করিম অজ্ঞাত কারনে বর্তমান কমিটিতে তাকে বাদ দিয়ে তাদের পছন্দমত কমিটি গঠন করে। এ কমিটি দায়িত্ব গ্রহনের পর নিয়োগ বানিজ্য, বিদ্যালযের গাছ অন্যায়ভাবে কেটে আত্বসাৎ সহ নানা অনিয়ম করছে বলে অভিযোগে প্রকাশ। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু হানিফা জানান, তিনি জমির ব্যাপারে কিছুই জানেন না।