• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন |

রাজারহাটে দুটি বিদ্যালয়ের সীমানা নিয়ে চরম উত্তেজনা

kurigramরাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রাজারহাটে সাকোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গায় সাকোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ করার অভিযোগ এনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এস.এম.সি’র সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক যৌথ স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ গতকাল উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে দাখিল করেছে। বর্তমানে ওই এলাকায় দু’টি বিদ্যালয়ের সীমানাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযোগে প্রকাশ, উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাকোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির নামে এক একর জমি রহিয়াছে। সাকোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সাকোয়া উচ্চ বিদ্যালয়টি অবস্থিত। দু’টি বিদ্যালয়ের মাঠ একটি দীর্ঘদিন ধরে দু’টি প্রতিষ্ঠান একটি মাঠ ব্যবহার করে আসছে। এরই মধ্যে গত গ্রীষ্মকালীন বিদ্যালয় ছুটির সময় সাকোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আহাম্মদ উল্লা ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. দুলাল হোসেন যোগসাজসে সাকোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গায় হাইস্কুলের একটি বিল্ডিং নির্মাণ কাজ শুরু করে। পাশাপাশি ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রজাতির ৭০টি বিশাল আকৃতির গাছ যাহার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭ লাখ টাকার গাছগুলো হাই স্কুলের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক বিক্রি করার পাঁয়তারা চালিয়ে আসছে। ৪ বছর পুর্বে প্রধান শিক্ষক আহাম্মদ উল্লা অনুমোদন ছাড়াই প্রাথমিক বিদালয়ের বিশাল আকৃতির একটি এন্টি কড়ই গাছ ঝড়ে উপড়ে পড়লে তা ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন বলে জানিয়েছেন সাকোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এস.এম.সি’র সভাপতি মোঃ খোরশেদ আলম। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, পরে বিষয়টি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের হস্তক্ষেপে মিমাংসা করা হয়েছিল বলে এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছে। এসব অভিযোগ এনে সাকোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এস.এম.সি’র সভাপতি মো. খোরশেদ আলম ও প্রধান শিক্ষক মো. মাহবুবুর রহমানের যৌথ স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে দাখিল করেছেন। এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাজেদুর রহমান বলেন, বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। সাকোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আহাম্মদ উল্লা’র কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি গাছ বিক্রি করার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, প্রাইমারী ও হাইস্কুলের নির্দ্দিষ্ট কোন সীমানা নেই এবং প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হেতু দু’টি ক্লাস রুম নির্মাণ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে বর্তমান এ ঘটনাকে কেন্দ্র ওই দু’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন মুহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছেন এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ