ঢাকা: সন্ত্রাস নির্মূল ও দুর্নীতি দমনে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন,কঠোরহস্তে সন্ত্রাসীদের মূলোৎপাটনের লক্ষ্যে দিবা-রাত্রি সড়ক ও নৌপথে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারসহ টহল ও নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া দুর্নীতির বিষয়েও বর্তমান সরকার যুগোপযোগী ও কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। বুধবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে তিনি আরও বলেন, শুধু রাজধানী ঢাকা নয়, পুরো দেশকে লোডশেডিংমুক্ত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকানো এবং খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে সরকার ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, সন্ত্রাস দমনে মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিনসহ সর্বস্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাস প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছে। অপরাধপ্রবণ এলাকাসমূহে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া জনসাধারণের কাছ থেকে প্রকাশ্যে তথ্য সংগ্রহ ছাড়াও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মাধ্যমে গোপনে তথ্য সংগ্রহ করে সন্ত্রাস দমন অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যাদির দাম স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি বা সরবরাহে কোন অস্বাভাবিক পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না হয় সেজন্য গোয়েন্দা সংস্থাসমূহ তৎপর রয়েছে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন বন্দরের মাধ্যমে পণ্য সামগ্রী দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সারাদেশে বাজারসমূহে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যে তালিকা টানানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া টিসিবি কর্র্তৃক ৩ হাজার ৩২ জন ডিলারের মাধ্যমে চাল, ডাল, তৈল ও চিনি সাশ্রয়ী মূল্যে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। সারাদেশে ১৭৪টি স্থানে খোলা ট্রাকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য জনগণের কাছে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে।