সিসিনিউজ: রাত থেকে টানা বর্ষণে বরগুনাসহ উপকূলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে এলাকার ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরগুনা, তালতলী , আমতলী, পাথরঘাটা, বেতাগী ও বামনা উপজেলার শতাধিক গ্রাম বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ফলে এসব এলাকার ইরি বোরো ধান ফলনে ব্যপক বিপর্যয় হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। তালতলী উপজেলার লাউপাড়া গ্রামের কৃষক মোমিন হাং জানান, তিনি ১০ একর জমিতে ইরি ধান চাষ করেছিলেন তিন দিনের টানা বর্ষনে এখন তা পানির নিচে।এ রকম জলাবদ্ধতা আর চার পাঁচদিন থাকলে তার সকল বিজ নষ্ট হয়ে যাবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশ-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় মৌসুমি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করায় বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
খেপুপাড়া আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। মৌসুমি লঘুচাপের কারণে বরগুনায় সকাল থেকে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।