নীলফামারী প্রতিনিধি: খাল বিল জলাশয় ভরে যাওয়ায় নীলফামারীতে দিন দিন উৎপাদন কমে যাচ্ছে মাছের। বছরে ৩৩হাজার ১৬মেট্রিক টন মাছের চাহিদা থাকলেও উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ১১হাজার ১১০মেট্রিক টন। যেখানে ঘাটতি হিসেবে রয়েছে ২১হাজার ৯০৬মেট্রিক টন মাছ।
আমিষের চাহিদা পূরণ না হওয়ায় দিন বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ অন্যদিকে হারিয়ে যেতে বসেছে দেশী জাতের বিভিন্ন মাছের বংশ।
জেলা মৎস্য অফিস সুত্র জানায়, ৩১৮লক্ষ মাছের পোনার চাহিদা থাকলেও উৎপাদন হচ্ছে ২২৮ লক্ষ আর ঘাটতি হিসেবে থাকছে ৯০লক্ষ মাছের পোনা। পুকুর, জলাশয় এবং নদীতে পানি না থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন মৎসজীবীরা। মাছ ধরতে না পারায় পৈত্রিক পেশা ছেড়ে তারা অন্যত্র ছুটছেন জীবীকার সন্ধানে। সরকারী হিসেব মতে নীলফামারী জেলায় মৎস্যজীবী রয়েছেন ৬হাজার ৬৪৫জন। এরমধ্যে অধিকাংশরাই ছেড়ে দিয়েছেন মাছ ধরা। নীলফামারী সদর উপজেলার কুন্দপুকুর গ্রামের জেলে আব্দুল জলিল জানান, পুকুর, জলাশয় ভরে গেছে। নদীতে পানি নেই। মাছ পাব কোথায়। মাছ ধরে জীবীকা নির্বাহ করলেও তিনি এখন দিন মজুর হিসেবে কাজ করে পরিবার চালাচ্ছেন।
জেলা মৎস্য অফিসার শাহ ইমাম জাফর সাদেক জানান, বছরের ৬মাস পানি থাকে না পুকুর নদীতে। জেলেরা পানি না থাকায় জীবীকা নির্বাহ করতে পারছে না স্বীকার করে তিনি জানান, এ জন্য সরকার নিবন্ধনের মাধ্যমে জেলেদের পুর্নবাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যাতে তারা কর্মহীন সময়ে সুযোগ সুবিধা নিয়ে টিকে থাকতে পারেন।