দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুর সদর উপজেলার পল্লীতে যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে পিটিয়ে বাড়ি থেকে বরে করে দিয়েছে পাষন্ড স্বামী শহিদুল ইসলাম। বর্তমানে স্ত্রী মনিমুক্তা (২৪) দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ব্যাপারে মনিমুক্তার ভাই বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
থানায় দায়ের মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালে দিনাজপুর সদর উপজেলার আউলিয়াপুর গ্রামের মৃত-রফি উদ্দিন’র মেয়ে মনিমুক্তার সাথে একই উপজেলার সৈয়দপুর বেলপুকুর গ্রামের মোঃ নুরুল ইসলাম’র ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম’র বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস পর মোঃ শহিদুল ইসলাম তার বাবা-মা, ভাই-বোনদের প্ররোচনা ও ইন্ধনে যৌতুক বাবদ ৩ লাখ টাকা দাবী করে। এই টাকা ভাইদের কাছ থেকে এনে দিতে পারবে না বলে জানালে মনিমুক্তার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে। এরই মধ্যে মুক্তার দ’ুসন্তানের মা হয়। তার ছোট সন্তানের বয়স প্রায় এক মাস।
গত ৩১ জুলাই রাত আনুমানিক সাড়ে ১০ টায় মুক্তার স্বামী শহিদুল ইসলাম যৌতুক বাবদ ৩ লাখ টাকা এনে দিতে চাপ দিলে মুক্তা অপারগতা প্রকাশ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী শহিদুল মুক্তার উপর পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ঘর থেকে বের করে দেয়। আত্মরক্ষার্থে মনিমুক্তা ঘর অন্যত্র চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে শশুড়-শাশুড়ী ও দেবররা মিলে এলোপাথারী পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এক পর্যায়ে তারা গলা চেপে তাকে হত্যার চেষ্টা চালায়। মনিমুক্তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। বর্তমানে মনিমুক্তা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ব্যাপারে মনিম্ক্তুার ভাই মোঃ আকবর আলী কোতয়ালী থানায় স্বামীসহ ৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।