• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে তিস্তা সেচ খাল বিধ্বস্ত : ৩৫ হেক্টর রোপা আমন ক্ষেত প্লাবিত

OLYMPUS DIGITAL CAMERAসিসিনিউজ: নীলফামারীতে তিস্তা সেচ প্রকল্পের নীলফামারী-দিনাজপুর প্রধান সেচ খালের পাড় বিধ্বস্ত হয়ে দুটি গ্রামের অন্তত ৩৫ হেক্টর রোপা আমন ক্ষেত প্লাবিত হয়েছে। বুধবার রাতে সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নে কানিয়াল খাতা নামক স্থানে সেচ খালের এই পাড় বিধ্বস্ত হয়। এসময় কানিয়াল খাতা ও ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের ৩৫ হেক্টর জমিতে রোপনকৃত আমন ক্ষেত ও বিভিন্ন ফসল কোমড় সমান পানিতে তলিয়ে যায়। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরির্দশন করে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার সকালে সেচ খালের ভাঙ্গা অংশে বাঁশের পাইলিংয়ের দিয়ে বালির বস্তা ফেলে সংস্কার কাজ শুরু করেছে নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ। এদিকে প্লাবিত জমির রোপা আমন চারার কোন ক্ষতি হবেনা বলে দাবি কৃষি বিভাগের।
কানিয়াল খাতা গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক গৌতম রায় (৩০), রাশেদুল ইসলাম (৪০) ও ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মনিুর রহমান (৩৫), জিয়ারুল হক (২৮) এবং সফিয়ার রহমান (৪৫) জানান, ‘সেচ খালে পানির চাপ বেশি থাকায় ওই খালের ডান তীঁর অংশের কানিয়াল খাতা নামক স্থানে ইঁদুরের খোড়া গর্তে পানি প্রবেশ করে পানির চাপ বেশি থাকায় বুধবার রাত আনুমানিক আটটার দিকে পাড় বিধ্বস্ত হয়ে কানিয়াল খাতা ও ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের অন্তত ৩৫ হেক্টর জমির রোপা আমন ক্ষেত কোমড় সমান পানিতে তলিয়ে যায়। কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে বেশ কয়েক বার খালের পাড়ে ইঁদুরের গর্ত গুলো বন্ধের ব্যাপারে মৌখিক ভাবে জানানোর পরেও তারা তেমন গুরুত্ব না দেয়ায় এই ঘটনা ঘটেছে। যদি কর্তৃপক্ষ আগেই ব্যবস্থা নিতেন তবে আমাদের এতো ক্ষতি হতো না।’
নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী অনন্ত কুমার রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সেচ খালে পানির চাপ বেশি থাকায় খালের পাড়ে ইঁদুরের গর্ত পানি প্রবেশ করে খালের ৫০ মিটার পাড় ভেঙ্গে যায় হয়। খবর পেয়ে আমরা রাতেই ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছি এবং স্লুইচ গেট বন্ধ করে পানি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিধ্বস্ত অংশে বাঁশের পাইলিং দিয়ে বালুর বস্তা ফেলে খালের পাড়টি মেরামত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরুপন করা সম্ভব হয়নি।
নীলফামারী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেরামত আলী জানান, প্লাবিত পানি দুই দিনের মধ্যে নিষ্কাশন করা গেলে রোপিত আমনের কোন ক্ষতি হবেনা। তবে এর বেশী দিন পানি থাকলে চারার ক্ষতি হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ