• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩০ অপরাহ্ন |

রাজিবপুরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

DSC08808রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: পুর্ব শত্রুতার জেড় ধরে কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের প্রত্যন্তাঞ্চল কীর্তন তারী গ্রামের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড যুবদল নেতা তারা মিয়া (৪০)কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করেছে তার প্রতিপক্ষ নুরু মেম্বার ও শহীদুল্লাহ মাষ্টার গংরা। নিহত মেম্বরের ছোট ভাই আজম আলী জানান, রোববার বিকালে মেম্বরসহ স্থানীয় বড়বেড় চরের বাজারে যান। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাদের কে আটক করে নুরু ও শহীদুল্লাহ মাষ্টার গং। পরে তারা উপজেলা চেয়ারম্যানকে বিষয়টি অবগত করেন। তবুও কাজ না হলে মেম্বর তার লোকজন নিয়ে বাজার থেকে কৌশলে বাহির হয়ে নদী পথে বাড়ি আসার চেষ্টা করে। মেম্বরের নিজ এলাকা কীর্তন তারী খেওয়া ঘাটে এসে বাড়ীতে যাওয়ার  সময় নুরু গং ও শহীদুল্লাহ মাষ্টার গং পুনরায় আক্রমন করে তার ভাই ও লোকজনদের কে মারপিট করে তাকে  (মেম্বর) তুলে নিয়ে ঠান্ডা মাথায় খুচিঁয়ে খুচিয়ে হত্যা করে মৃত ভেবে নদীতে ফেলে দেয়। পরে রাতেই তার আতœীয় স্বজন তাকে উদ্ধার করে রাজিবপুর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে রাত ২ টায় কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষনা করে। তার স্ত্রী শিউলি বেগম জানান, তার চাচা শশুর তারা মেম্বর(সাবেক)এর ছোট ভাই বাচ্চু ও শহীদুল্লাহ মাষ্টারের ছেলে মামুন ও ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে তার স্বামীকে ধারারো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেছে। এ সময় তারা মেম্বরের ভগ্নিপতি আবু তালেব (৩৫), সবদুল আলী (৪৫), শহিদুল হক(৩৫), সোহরাফ আলী(৩৪), আবু সাইদ(৩০) মারপিট করে। এলাকাবাসি এগিয়ে গেলে কয়েক রাউন্ড ফাকাঁ গুলি করে সন্ত্রাসীরা চলে যায়। পরে গুরতর অবস্থায় তাদের কে রাজিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্র ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গুরতর  ৫ জন ও হাসপাতালের বেডে মৃত্যু যন্ত্রনায় ছটফট করছে। কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে ও হাসপাতাল সকাল ৯টায় পরিদর্শন করেছেন। এদিকে নুরু মেম্বর পালিয়ে যাওয়ার পথে পুলিশের নিকট আটক হয়েছেন বলে জানা গেছে ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ